রাত পোহানোর অপেক্ষা

নেইল বাইটিং, গৌরবাজ্জ্বল অনিশ্চয়তা- এসব পেপারের শব্দ আজকের রাতটার সাথে যায় কিনা সেটা বলা মুশকিল। ম্যাচটা যেখানে আছে, সেখান থেকে কীভাবে আজকের রাতের ক্রিকেটীয় চিন্তাগুলো ঘোরাফেরা করবে, তার পুরোটাই নির্ভর করে আপনার দেখার উপরে। ইংল্যান্ডের নাম্বার ইলেভেন ব্যাটিকে আউট করতেও ভালো ডেলিভারিটাই খরচা গেছে বাংলাদেশের। কিন্তু আমাদের বেলায়? কামরুল রাব্বী আর শফিউলের স্ট্যান্সই বলে না, তারা দুটো বল ফেইস করার জন্যে নেমেছেন। বিকালে তবুও তাইজুলের মৃদু প্রতিরোধের সুবাদেই ম্যাচ ৫ নাম্বার দিনে। ইংল্যান্ডের জন্যে সহজ অংক। নতুন দিনে দুইজন নতুন ব্যাটসম্যান। সাব্বির ৯০ টা বল খেলে ফেলার আলাদা কোন এডভান্টেজ পাবেন না একদম নতুন একটা দিনে। তাইজুলও বাহবা জোগানো বিকেলের প্রতিরোধের কিছুই টেনে নিতে পারবেন না পরের দিন সকালে। এভাবে ভাবলে খেলাটা কাল সকালে ২৫/৩০ বলের বেশি টেকে না। আবার বাংলাদেশও চাইবে ম্যাচটাকে ২৫/৩০ বলেই শেষ করতে। দুটো উইকেট নিয়ে আপনি ৩ সেশন খেলে ড্র করার কথা ভাববেন না। ভাববে না বাংলাদেশও। ম্যাচটা তাই ডে ফাইভের সকালে ২৫/৩০ বলেই ঘুরছে। বাংলাদেশের জন্যে ২৫/৩০ বলে ৩৩ টা রান উঠিয়ে নেওয়া – আর ওদের জন্যে দুটো উইকেট।

বাংলাদেশের টপ অর্ডারে সবচেয়ে কম ৯ রান করা তামিমও খেলেছেন ৩৩ টি বল। সাকিব আর মুশফিক অনেকক্ষণ ব্যাট করে বোলারের জন্যে দুটো ড্রিম ডেলিভারিতে ফিরলেন। পিচটা গ্ল্যামার রেখেছে দিনভর। ব্যাটসম্যান থিতু হয়ে গেলে বোলারদের মাথা খুটে মরার ভয় ছিলো না কোনভাবেই। থিতু ব্যাটসম্যানদের ফেরাতে আনপ্লেয়েবল ডেলিভারি এসেছে সমানে। শেষমেষ থার্ড ডের সকালটাই পোড়াচ্ছে। ঐ সকালে খারাপ খেলে ওদের ৫০ রানের মত লিড দেওয়াটাই পোড়াচ্ছে। হয়ত কাল ম্যাচ শেষে আরো বেশি পোড়াবে। এটাই টেস্টের সবচেয়ে বড় মজা। একদিন পেছালে আরেকদিন ফেরার সুযোগ থাকে। কিন্তু কিন্তু দুটো দল সমানে কাউন্টার এটাক করলে ছোট্ট একটু এগিয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে পড়াটাই রেজাল্ট বানিয়ে দেয়।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

11 − eight =