বজ্রমানবের শেষ কোথায়?

সেই ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিক থেকে শুরু। তারপর ২০০৯ এ বার্লিন বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ, ২০১২ এর লন্ডন অলিম্পিক, ২০১৩ এ মস্কো বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ, ২০১৫ তে বেইজিং বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ ও সর্বশেষ এই ২০১৬ এ রিও অলিম্পিক – উসাইন বোল্টের কাছ থেকে দ্রুততম মানুষের খেতাব কেড়ে পারলেন না কেউই। এবারো রিও অলিম্পিকে ৯.৮১ সেকেন্ড সময় নিয়ে জাস্টিন গ্যাটলিন-ইয়োহান ব্লেকদের পেছনে ফেলে জিতে নিয়েছেন ১০০ মিটার স্প্রিন্টের সোনা, বিশ্বের দ্রুততম মানবের নিজের খেতাবটা করেছেন আরো পোক্ত, আরো অবিসংবাদিত। বিশ্বরেকর্ড বা অলিম্পিক রেকর্ড না হোক, বোল্টের এই ৯.৮১ সেকেন্ড সময়টাই যথেষ্ট ছিল বিশ্বের দ্রুততম মানুষের খেতাবটাকে আরেকটু তর্কাতীত করে তোলার জন্য।

৯.৮৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে ৩৪ বছর বয়সী আমেরিকান স্প্রিন্টার ২০০৪ সালের এথেন্স অলিম্পিকের দ্রুততম মানব জাস্টিন গ্যাটলিন হয়েছেন দ্বিতীয়, কানাডার আন্দ্রে দে গ্রাঁ হয়েছেন তৃতীয় – ৯.৯১ সেকেন্ড সময় নিয়ে। বোল্টের জ্যামাইকান সতীর্থ ইয়োহান ব্লেক দৌড় শেষ করেছেন গ্রাঁ এর পেছনে থেকে, চতুর্থ হয়ে।

২০১৭ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের পর ট্র্যাক থেকে অবসরের ইচ্ছা পোষণ করা বোল্ট এবারের অলিম্পিকে অংশ নেবেন আর দুটো ইভেন্টে – ২০০ মিটার স্প্রিন্ট এবং ৪*১০০ মিটার রিলেতে।

“কেউ একজন আমাকে বলেছিল, আমি বলে অমর-অবিনশ্বর। আর মাত্র দুটো অলিম্পিক গোল্ডের পরই আমি শান্তিমত বিদায় নিতে পারব ট্র্যাক থেকে, অমর-অবিনশ্বর হয়ে!”

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

17 − 12 =