ফিন্যান্স ফুটসাল ফিয়েস্তা টিম প্রিভিউ : ভ্যাঙ্কুইশার্স এফসি

আগামীকাল সকাল সাড়ে আটটা থেকে বাড্ডার ফর্টিস স্পোর্টস গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক ফুটবলীয় মিলনমেলা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা র‍্যাংকস এমএসিএল এর সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজন করতে যাচ্ছে “ফিন্যান্স ফুটসাল ফিয়েস্তা” এর সর্বপ্রথম আসর। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক সিক্স-এ-সাইড এই আসরে এবার অংশ নিচ্ছে আটটি দল, প্রত্যেকটি দলের খেলোয়াড়, ম্যানেজার, সংশ্লিষ্ট বাকী সকল সম্বন্ধে সম্যক ধারণা প্রদান করার উদ্দেশ্যে আজকে গোল্লাছুট ডটকমে প্রকাশিত হবে আটটা দলের টিম প্রিভিউ। এই পর্বে থাকছে ভ্যাঙ্কুইশার্স এফসি সম্পর্কে প্রিভিউ। তো আসুন দেখে নেওয়া যাক এই দলে কে কে রয়েছেন!

  • নাঈম হাসান সিমন
  • তানভীর চৌধুরী মুরাদ
  • নাফিজ শরীফ নিবিড়
  • সৈকত আহমেদ
  • সাঈদ হিকাম মৃদুল
  • নিশাত আহমেদ জিশান
  • রাশেদুজ্জামান রনি
  • খান আতেফ
  • আসিফ আমিন
  • তওসিফুল হক মিরাজ
  • মোহাম্মদ নওশাদ আইয়ুব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুইজন খেলোয়াড় খেলছেন এই দলে – ১৩ তম ব্যাচের নাঈম হাসান সিমন ও তানভীর চৌধুরী মুরাদ। এদের মধ্যে নাঈম হাসান আবার ভ্যাঙ্কুইশার্স এফসি’র স্বত্বাধিকারীও বটে। নাঈম হাসান সিমনের পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সহ-স্বত্বাধিকারীর ভূমিকায় রয়েছেন আমির হামজা প্রিন্স ও মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম। দলের অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তানভীর চৌধুরী মুরাদকে। মূলত এই দুইজনের ফর্মের উপরেই নির্ভর করছে ভ্যাঙ্কুইশার্স এফসি এই টুর্নামেন্টে কতটুকু এগোতে পারে, সেটা। দুইজনই আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। তবে দলের স্বার্থে কালকে এই দুইজনের প্রত্যেকে একদম কী ভূমিকায় খেলবেন, সেটা নাহয় প্রতিপক্ষ ম্যানেজমেন্টের কাছে ধাঁধা হয়েই থাকুক!

মূলত ১৩ তম ব্যাচের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া এই দলটায় নিজের ব্যাচের প্রতিনিধি হিসেবে আরও রয়েছেন সাঈদ হিকাম মৃদুল, সৈকত আহমেদ। গোলবার রক্ষা করার দায়িত্বে থাকবেন চলমান ফিন্যান্স ফুটবল লিগে কার্যকরী পারফরম্যান্স দেখানো সাঈদ হিকাম মৃদুল। মাঝমাঠ সামলানোর দায়িত্বে দেখা যেতে পারে সৈকত আহমেদ, আর তাঁর সাথে থাকবেন ২৩ ব্যাচের উদীয়মান মিডফিল্ডার রাশেদুজ্জামান রনি। ওদিকে দলের রক্ষণভাগ সামলানোর মূল দায়িত্ব থাকবে ১৭ তম ব্যাচের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার নাফিজ শরীফ নিবিড় ও ২২ তম ব্যাচের আসিফ আমিনের উপরে। রক্ষণভাগ ও মাঝমাঠের বিকল্প খেলোয়াড় হিসেবে রয়েছেন ১৮ তম ব্যাচের নিশাত আহমেদ জিশান, নওশাদ আইয়ুব, ২১ তম ব্যাচের তওসিফুল হক মিরাজ, ২৪ তম ব্যাচের খান আতেফ প্রমুখ।

রোলিং সাবস্টিটিউশান ভিত্তিতে ম্যাচগুলো মাঠে গড়াবে, অর্থাৎ একটা দল প্রয়োজনমত বিকল্প খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে যে কাউকে যখন ইচ্ছা মাঠে নামাতে পারে, মূল একাদশে থাকা যে কারোর বদলে।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

13 − three =