পাঁচ উইকেটে সাকিবের জবাব

সকালটা বিষাদমাখা হওয়ার পিছনে তারই দায় সবথেকে বেশি, দিনের দ্বিতীয় বলেই ঐ রকম পাগলামি না করলেই কি হতো না? তবে টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্য হচ্ছে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ। এক ইনিংসে খারাপ করলে পরের ইনিংসে সুদে আসলে তা পুষিয়ে দেবার সুযোগ থাকে। আর সব্যসাচীদের তো আরও বেশি সুযোগ, ব্যাট হাতে না পারলে বল হাতে দেখিয়ে দাও। সাকিব যেমন ১৫ তম বারের মতো টেস্টে ৫ উইকেট নিলেন, সব্যসাচীর স্বরুপ দেখালেন।

ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে লিড পেয়েছিল ৪৫ রানের। দিনশেষে সেটা ২৭৩। তবে হাতে আছে আর মাত্র দুই উইকেট। ৭২ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাবার পর স্তোকশ আর বেয়ারেস্তোর জুটিই ম্যাচে ধরে রেখেছে ব্রিটিশদের। তবে দিনের শেষে তারা কেউই অপরাজিত নেই। তাই এই ম্যাচ জমে ওঠার সব ধরনের রসদ নিয়েই অপেক্ষা করছে।

আমাদের জুটি ভাঙ্গা শিখতে হবে। পাঁচ উইকেট ফেলে দেবার পর বেশ করেছি বলে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। আগামীকালের প্রথম সেশনে ইংলিশদের যদি ৩০০ এর কম লিডে আটকে দেওয়া যায়, তবে আমাদেরও জয়ের সুযোগ থাকবে। কারণ হল সময়। দেড় দিন মানে ১৩৫ ওভার। তাতে যদি গড়ে আড়াই করেও রান নেওয়া যায়, তাও হবে। তবে সেটা না করতে দেওয়ার জন্য মইন রশিদ ব্যাটি তো আছেনই, সাথে স্তোকশ এর রিভার্স সুইং ও সামলাতে হবে।

কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়! সাকিবের আর রিয়াদের ব্যাটের দিকেই তাকিয়ে আছি। তামিম কায়েস মুমিনুল এরাও পারবেন। সলিড টেকনিকের সাব্বিরকে দিতে হবে ধৈর্যের পরীক্ষা। বল যেভাবে নিচু হচ্ছে, তাতে এই পিচ পঞ্চম দিনে মরণফাঁদ হয়ে উঠবে। তারপরও আমি হারার আগে হারতে রাজি নই। দেখাই যাক না, কি হয়!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

13 − 9 =