নাসিরের বদলে অন্য কেউ পানি টানুক!

::::: সামিউল আজিজ সিয়াম :::::

বাংলাদেশ দল পানি আনা নেয়ার জন্য একজন কাজের লোক টাইপ রাখতে পারে। নাসির হোসাইনকে শুধু এই কাজের জন্য দলে রাখার কোনো মানে নেই।

ছেলেটা যেহেতু দলে সুযোগ দিলেও ভালো খেলতে পারবে না, তার প্র্যাকটিসের জন্য কিছু ফ্রি সময় দরকার। পানি আনা নেয়ার কাজটা না থাকলে নিশ্চয়ই তার কিছু সময় বাঁচবে, সেই সময়টায় নিজেকে ঝালাই করে নিতে পারলে ভবিষ্যতে অবশ্যই নিজেকে সে ‘যথেষ্ট পরিমাণ’ প্রমাণ করতেই পারে!

দলে লোয়ার মিডল অর্ডারে একজন চাপ নিয়ে খেলতে পারে, স্ট্রোকমেকার এবং নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান কতটুকু দরকার, আজকের ম্যাচে তা বেশ ভালো বোঝা গেছে! সাকিব এবং মোসাদ্দেক আউট হওয়ার পর যখন মাশরাফি নেমে গেলেন, সে সময় ব্যাটিং অর্ডারে তার পরে আরেকজন পূর্ণাঙ্গ ব্যাটসম্যান (মোশাররফ রুবেলের মত আধা ব্যাটসম্যান আধা বোলার না) থাকলে এতটা চাপ তৈরি হতো না।

নাসির বাইরে থাক। যথেষ্ট পরিমাণ অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের আগেই দলে প্রতি সিরিজে আরো নতুন নতুন খেলোয়াড় ডেব্যু করতে থাকুক। নাসির যদি এক ম্যাচে সুযোগ পায় তাহলেই বা কি, তাকে দিয়ে আদৌ বোলিং না করিয়ে (ব্যাটিং অর্ডারে নিচে থাকার জন্য দেখা যাবে সে ব্যাটিংটাও পায়নি) তার বোলিংটাও ওয়েস্ট করা হবে হয়তো, এদিকে দেখা যাবে ঘটা করে একজন অতিরিক্ত নতুন স্পিনার ঠিকই খেলানো হচ্ছে! (এর আগে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপে এই জিনিস আমরা দেখেছি) নাসির বাইরেই থাক, আমার আপত্তি নেই!

তবে, পনেরো জনের দলে রেখে এভাবে একের পর এক হিউমিলিয়েশনের কোনো মানে নেই! পানি আনার জন্য একটা অতিরিক্ত লোক রাখাই যায়, পিয়ন ধরণের, বেশি বেতন নেবে বলে মনে হয়না। নাসির বেয়াদব, ফোনে কথা বলে, তার ৩২ টা সিম (কতগুলো যেন?), তার আচরণ ঠিক নাই, সে দৃষ্টিকটু আন্ডারওয়্যার পরে (এটাও কোনো ইস্যু হয়ে থাকতে পারে, আমি জানিনা), তার দাড়ির স্টাইল বিসিবির পছন্দ না, আছে কিছু একটা সমস্যা। তা নাহয় থাকলো, সেজন্য নাসিরকে পনেরো জনের মূল দলেরই বাইরে রাখা হোক।

একটা খেলোয়াড় প্রফেশনালিজম কর্তৃপক্ষ তখন যাচাই করতে পারে, যখন তাদের নিজেদের আচরণ প্রফেশনাল হয়। কর্তৃপক্ষ, এইভাবে পারসোনাল ইস্যুতে কাউকে দলের বাইরে রাখাটা দারুণ প্রফেশনালিজম, দারুণ !!

আমরা বিশ্বাস করতে চাইনি, কিন্তু ব্যাপারটা পারসোনাল ইস্যুই, এখন তা পরিষ্কার। একদম পরিষ্কার!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

ten − 2 =