জন্মদিনের শুভেচ্ছা, গুরু!

জন্মদিনে কি আর দেবো তোমায় উপহার,
বাংলায় নাও ভালোবাসা, হিন্দিতে নাও পেয়ার!

আজ ৫ অক্টোবর, গুরু মাশরাফির জন্মদিন! ক্রমেই যিনি নিজের নাম ছাপিয়ে গুরু নামে পরিচিত হয়ে পড়ছেন। অবশ্য সাত বার হাঁটুর সার্জারি হবার পরও যিনি বলতে পারেন, পা তো বিদ্রোহ করতেই পারে, তাও ঘাড়ের রগটা বাঁকা করে চ্যালেঞ্জ করবো নিজেকেই!, তাকে গুরু নামেই বেশি মানায়। জুনিয়রদের কাছে তিনি বড় ভাই, যিনি সবকিছু থেকে তাদের আগলে রাখেন। তার অধিনায়কত্বের সোনার কাঠির জাদুতেই দলটা পাল্টে গেছে। যে কাউকেই এখন এই দলটা চ্যালেঞ্জ করতে পারে, এই পরিবর্তনের রুপকার তিনিই। সর্বশেষ আফগান সিরিজে মাঠে ঢুকে পড়া ভক্তকে রক্ষা করে নিজেকে নিয়ে গেছেন আরও বড় জায়গায়। শুভ জন্মদিন গুরু!

তার অভিষেক আমাদের ছোটবেলায়। কৌশিক নামেই চিনতাম। এখনও মনে আছে ইংল্যান্ডের প্রথম বাংলাদেশ সফরে গতির ঝড় তুলে এক ওভারে দুজনের স্ট্যাম্প ছত্রখান করে দেওয়ার কথা। তবে ইঞ্জুরির সাথেও সখ্য সেই প্রথম থেকেই। ইঞ্জুরিতে না পড়লে তাকে হয়তো পরিসংখ্যানের হিসাবেই গ্রেট দের তালিকায় রাখা যেত। কিন্তু পৃথিবীতে তিন প্রকার মিথ্যা আছে, মিথ্যা, ডাহা মিথ্যা, পরিসংখ্যান! পরিসংখ্যান বোঝাতে পারে না তার স্থান বাংলাদেশের ক্রিকেটে কোথায়। ইমরান, কপিলদের সাথে এক কাতারে সাকিবের নাম আসে সব্যসাচী হিসেবে, আর অধিনায়ক হিসেবে আসবে মাশরাফির নাম। হ্যা, তিনি তাদের থেকে কোন অংশে কম নন।

তিনি পরিষ্কার ভাবে চিন্তা করতে পারেন। আমাদের কাছে সাত বার সার্জারি করেও খেলে যাওয়া ম্যাস তাই অনন্ত প্রেরণার উৎস। শুভ জন্মদিন গুরু!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nineteen − thirteen =