চলুক স্লেজ!

বাটলার, স্টোকস কিংবা রিয়াদ, তামিম নয় ।

উত্তেজনার সৃষ্টি জ্যাক বলের স্লেজিংয়ে ।

সাব্বির যখন ব্যাটিংয়ে আসে তখন তার কাছে গিয়ে কিছু একটা বলে আসে ইংলিশ পেসার বল ।

এই বলের বলেই শেষতক বোল্ড হয় সাব্বির । সেলিব্রেশনের মধ্যমাংশও সাব্বিরের দিকেই ছুড়েছিলেন তিনি ।

তবে শুদ্ধ স্লেজিং খেলারই অংশ কিনা । সাব্বিরও তাই ঘাটাতে যায়নি ।

তবে ব্যাপারটি ঘেটে ঘেটে বড্ড ঘোলা করে ফেলেছে ঐ বাটলারই । ব্যাটিংয়ের সময় সাব্বির-রিয়াদদের উদ্দেশ্যে তার স্লেজিং ওভাবে চোখে না পড়লেও সৈকতের বেলায় তা ভালোভাবেই দেখেছে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরা ।

ছোট্ট লক্ষ্যে ছুঁড়ে বাংলাদেশ যখন বোলিংয়ে উড়ন্ত সূচনা পায় তখন কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় ঐ বাটলার । আর সে কাঁটা তুলতে তাসকিনকে করতে হয়েছে ওভার আপিল, বাংলাদেশকে নিতে হয়েছে রিভিউ ।

সফলতা আর স্লেজিং শোধে রিয়াদ, সাব্বিররা এ সুযোগ ছাড়বেই বা কেন ?

স্লেজিং তো চলবেই সাফল্যের উদ্দেশ্যে কিংবা তার সফলতায় ।

জায়গাটিতে বরঞ্চ বাটলারই মার খেয়ে গেল । ইংলিশ দলের অধিনায়ক সামান্য সেলিব্রেশন স্লেজিং হজম করতে পারলোনা !

অবশ্য ইংলিশদের স্লেজিং হজম করার ক্ষমতা খুব যে একটা নেই এটা ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় । এ্যাশেজ স্লেজিং উত্তাপে মার্কস ট্রেসকোথিক কিংবা জোনাথন ট্রটদের মাঝপথে সিরিজ ছেড়ে দেওয়া অতঃপর অবসাদে অবসর নেওয়াটা তাদের দুর্বল হজম শক্তিরই বহিঃপ্রকাশ । আর কালকের ম্যাচের এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয়দের প্রফেশনালিজম আর স্পোর্টসম্যানশীপ বুলিতে সত্যিই পেট ভরে না হেসে পারছিনা ।

হেইডেনকে আউট শ্রীমান শ্রীশান্থের পিচে থাপ্পড় ।

ইন্জুরড শেন ওয়াটসনের খুঁড়িয়ে রান নেওয়ার চতুষ্পদীয় ব্যাঙ্গভঙ্গি করা রায়না-ধাওয়ান । ম্যাক্সওয়েলকে আউট করে মুঠোয় ধুলো তুলে ফুত্‍কারে উড়িয়ে দেওয়া অ্যাশউইনের সেলিব্রেশন ।

কিংবা জনসনের স্লেজিং সহ্য করতে না পেরে বিচার দেওয়া কায়দায় সংবাদ সম্মেলনে কোহলির অপেশাদারী মন্তব্য ।

ঘটনাগুলো গো-মূত্র মস্তিস্কজীবিরা ভুলে গেলে আমরা তো ভুলিনি, ভোলেনি ক্রিকেট বিশ্ব ।

স্লেজিং চলবেই তবে ক্যারিবিয়ান, অজি স্লেজিং কিংবদন্তীদের মত ।

চলুক স্লেজ,
এগোক বাংলাদেশ

#BANvsENG2016

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nineteen − 11 =