ঘূর্ণিতেই ঘায়েল অসিরা

লাভ হল না। মুরালিকে কোচ করে কোনই লাভ হল না। লঙ্কান স্পিন আর ভয়ডরহীন ব্যাটিঙের কাছে স্রেফ আত্মসমর্পণ করলো অসিরা। তিন টেস্টের তিনটিতেই হেরে লঙ্কার ঝাল বুঝেছে তারা ভালোই। সঙ্গে বুঝেছে ওয়ারনের মতো স্পিনারের অভাব লায়নকে দিয়ে পূরণ হবার নয়।
প্রথম টেস্টে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন কুশল, দুর্দান্ত এক শতকে। তার চেয়েও বেশি দৃষ্টিসুখকর ছিল তার হার না মানা পাল্টা আক্রমণ। এরপর হেরাথ, দিলরুয়ান পেরেরা আর চায়নাম্যান সান্দাকানের ঘূর্ণিতে হাবুডুবু খেয়েছে অসিরা। অভিষেকেই নজর কেড়েছেন চায়নাম্যান সান্দাকান। অসিরা জবাব দিতে চেয়েছিল লায়ন আর অন্য পেসারদের দিয়ে। কিন্তু এ হুমকি তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন আবার সেই কুশল, তবে এবার তিনি একা নন। চান্দিমাল আর ধনঞ্জয় ডি সিল্ভা যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন তাকে। এতে শ্রীলঙ্কা লড়ার মতো স্কোর পায়। আর ঘূর্ণিতে অসিদের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে ২০ উইকেট তুলে নেওয়ার কাজটা সহজেই করেছে হেরাথ এন্ড কোং।
ম্যাথুস বাহিনীকে টুপি খোলা অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি একটা আক্ষেপও মনে কাজ করছে। গত বছরে অসিরা এলে আমরাও ২০০৫ এর জ্বালা মেটাতে পারতাম আরেকটা বাংলা ধোলাই দিয়ে। এখন মনে হচ্ছে, না আসার কারণটা সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ কিছুই না, স্রেফ হেরে মান সম্মান খোয়ানোর ভয়!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

twenty − 16 =