কি কি পরিবর্তন দেখব কালকে?

আশার আলো নিভুনিভু করে জ্বলতে থাকা ১ম টেস্ট হারের পর আগামীকাল বাংলাদেশ মুখোমুখি হচ্ছে তাদের ২য় ও শেষ পরীক্ষায়।সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২য় টেস্টে বাংলাদেশে দল কেমন হতে পারে দেখা যাক…

১৫ সদস্যের দলে শফিউল ইসলাম বাদ পড়ায় একটি পরিবর্তন নিশ্চিত। তো কে হবে শফিউলের রিপ্লেসমেন্ট? পেস এটাক কেন জরুরি, গত ম্যাচে বেন স্টোকসের পারফরমেন্স দেখলেই আমরা অনুমান করতে পারি। তবুও মিরপুরে স্পিন নির্ভর উইকেট হলে ২ জন পেসার নিয়ে খেলা খুব একটা ভাল সিদ্ধান্ত হবে বলে মনে হয় না, যেহেতু দলের ২ জন পেসারই নতুন। এরচেয়ে একজন ব্যাটসম্যান বাড়ানো ভাল। তবুও বাংলাদেশ যদি ২ জন পেসার নিয়ে খেলতে চায় তাহলে নিশ্চিত অভিষেক হতে যাচ্ছে শুভাশিষ রায়ের। যদি একজন পেসার নিয়ে খেলে তাহলে একদশে পেস অলরাউন্ডার হিসেবে ঢুকতে পারে সৌম্য সরকার। সৌম্য দলে আসলে, ১ম টেস্টের পারফমমেন্স অনুযায়ী একাদশে জায়গা নাও হতে পারে কামরুল ইসলাম রাব্বির। শুভাশিষ হতে পারে দলের একমাত্র পেসার। দলে সৌম্যর জায়গা হলে রানের চাকা সচল রাখতে সুবিধাই হবে। ব্যাটিং ফরমেশন আগের মতই থাকবে। তবে আমি মনে করি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ কে আগের মত একটু নিচে খেলানো টা ভাল হবে। টেস্টে টপ অর্ডার সামলাতে মমিনুল, মুশফিক তো আছেই। মাহমুদুল্লাহর মত দায়িত্বশীল ব্যাটসম্যান লোয়ার ওর্ডারে এখন খুব দরকার। সে ক্ষেত্রে রানের চাকা সচল রাখতে সাব্বির কে একটু উপরে খেলানো যেতে পারে।

যদি সৌম্য একাদশে চান্স পেয়ে যায় তাহলে সাব্বির অথবা সৌম্য যেকোন একজন কে লোয়ার-মিডল অর্ডারে খেলানো উচিত। দুই মারকুটে ব্যাটসম্যান কে একসাথে রাখা উচিত না। শেষে মাহমুদুল্লাহর মত নির্ভরযোগ্য একজন থাকা ভাল। দলে মোসাদ্দেকের চান্স হওয়ার মত কোন রিপ্লেসমেন্ট দেখছি না। সাব্বির আনফিট থাকলে নিশ্চিত দলে ঢুকছে মোসাদ্দেক। সাব্বির খেললে চান্স খুবই কম। তবুও যদি অভিষেক হয়েই যায় তাহলে নির্বাচকরা কাকে সরাবে? একজন পেসার নিয়ে খেললে মোসাদ্দেক চান্স পাবে স্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে। সে ক্ষেত্রে চান্স পাবেনা পেস অলরাউন্ডার সৌম্য। যদি সৌম্য খেলে অথবা ২ জন পেসার খেলানো হয় এবং মোসাদ্দেককেও চান্স দেওয়া হয় তাহলে মমিনুল ছাড়া আর কোন রিপ্লেসমেন্ট দেখছি না।

দুইজনেই স্পিন অলরাউন্ডার এবং ঘরোয়া লীগে মোসাদ্দেকের পারফরমেন্স ভাল। যদিও টেস্টের সেরা ব্যাটসম্যান মমিনুলের বাদ পড়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে, তবুও একটা অপশন রাখলাম আর কি। স্পিন এটাকে যথারীতি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে সাকিবকেই। তার সহযোদ্ধারা হবেন মিরাজ আর তাইজুল। পার্টনারশিপ ব্রেকার হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে সাব্বির/মোসাদ্দেক, মাহমুদুল্লাহ আর মমিনুল কে। শুভকামনা সবার জন্য।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

12 + 15 =