অধরা স্বর্ণের দেখা ব্রাজিলের

পারলেন নেইমাররা। পারলেন ব্রাজিলিয়ানদের আজীবনের আক্ষেপ ঘোচাতে। পারলেন ফুটবলে সর্বকালের অবিসংবাদিতভাবে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাতিকে অলিম্পিকের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করাতে। আর সেই অর্জনটাই বা কি মধুর, পরাশক্তি জার্মানিকে হারিয়ে অলিম্পিকের স্বর্ণ ত অর্জিত হলই, একই সাথে ২০১৪ বিশ্বকাপের সেই ৭-১ এর লজ্জাতেও দেওয়া গেল প্রলেপ। বেলো হরিজন্তের সেই বেদনা মধুর হয়ে গেল মারাকানাতে এসে, দুই বছর পরে।

3771BF3300000578-3750855-image-a-46_1471734908572

সেই লজ্জার ম্যাচটা খেলতে পারেননি নেইমার। ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় সারথি হয়ে বিশ্বকাপে গেলেও কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ান উইংব্যাক হুয়ান ক্যামিলো জুনিগার আঘাতে ইনজুরিগ্রস্থ হয়ে তাঁকে সেমিফাইনালে দর্শক হয়েই দেখতে হয়েছিল দেশের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় লজ্জাজনক ঘটনাটিকে। কিন্তু এবার আর দর্শক না, ভূমিকা বদলে নেইমার এবার সত্যিকার অর্থেই পথ প্রদর্শক, সত্যিকার অর্থেই আলোকবর্তিকা, সত্যিকার অর্থেই এই তরুণ দলের বিজয়ী নেতা। মূল ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিট খেলার পরেও টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলের জয়ের জয়সূচক পেনাল্টিটা যে এসেছে তাঁর পা থেকেই!

তাঁর আগে মূল ম্যাচেও ব্রাজিলকে এগিয়ে দেওয়া গোলটা এসেছে তাঁর অসাধারণ এক ফ্রি কিক থেকেই। পরে জার্মানির হয়ে সমতা ফেরান শালকে ০৪ এর তরুণ জার্মান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ান মেয়ার। দুই দলই নিজেদের প্রথম চারটি পেনাল্টিকে গোলে রূপান্তরিত করেন। নিজেদের শেষ পেনাল্টি নিতে এসে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন সাবেক বায়ার্ন মিউনিখ স্ট্রাইকার নিলস পিটারসেন, তবে ব্রাজিলের হয়ে শেষ পেনাল্টি নিতে এসে সেই ভুল আর করেননি নেইমার, জাতিকে স্বর্ণজয়ের আনন্দে ভাসিয়েই মাঠ ছেড়েছেন।

মূল একাদশ
মূল একাদশ

স্কোর

ব্রাজিল ১(৫) – ১(৪) জার্মানি

(নেইমার) (ম্যাক্স মেয়ার)

পেনাল্টি – রেনাতো অগাস্তো, মার্ক্যুইনহোস, রাফিনহা আলকান্তারা, লুয়ান, নেইমার

ম্যাথিয়াস জিন্টার, সার্জ ন্যাব্রি, জুলিয়ান ব্র্যান্ট, নিকলাস সুলে

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

fourteen − 1 =