বাংলাদেশ জেগে ওঠো

কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত
বাংলাদেশ জেগে ওঠো
বাংলাদেশ গর্জে ওঠো।

কিভাবে বা কেন তা জানিনা, কিন্তু আমার অনুমান ক্ষমতা বেশ ভালোই আল্লাহর রহমতে, বিশেষ করে ক্রিকেট বিষয়ক জিনিস হলে তো কথাই নেই। সিরিজ শুরুর আগে বলেছিলাম না, ১০০% না দিলে জয় কেন, লড়াই করাটাই কঠিন হবে। আরও বলেছিলাম, পাকিস্তানকে ডুবিয়ে আর ভারতকে কাটারে কেটে যদি মনে করা হয় দিস টাইম ফর আফ্রিকা, তাহলে আপনি বাস করছেন বোকার স্বর্গে। দেখুন অবস্থাটা! রাবাদা নামের এক অখ্যাত বোলার গতির ঝড়ে যেন উড়িয়ে দিয়ে গেলো! মনে পড়ে যাচ্ছে ২০০৩ এর চামিন্দা ভাসকে।

কি হয়েছিলো ভাসের সাথে? তিনিও ৬ উইকেট নিয়েছিলেন এবং হ্যাট্রিকও করেছিলেন, তাও আবার প্রথম ওভারে! আমাদের বীরপুরুষ(!) এহসানুল হক সেজানের প্রথম বলেই চোখ বন্ধ করে চার মারতে যাওয়া এবং ফলশ্রুতিতে নিজেই মাঠের বাইরে চলে যাওয়া, স্ট্যাম্প উড়ে যাওয়ার কারনে- এই দৃশ্য এখনও মনে আছে! এখানেও সেই একই কথা হচ্ছে। সুনীল গাভাস্কার যখন বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ৬০ ওভার খেলে রান করেছিলেন ৩৬, তাকে কেউ সাধুবাদ জানায়নি, এ ধরনের ব্যাটিং মনোহর নয়, যদিও তার নামে মনোহর আছে। তবে আমরা কতবার আশরাফুলকে বেকুব, দায়িত্তজ্ঞানহীন বলেছি থিতু হয়ে অকারনে উইকেট দিয়ে আসার জন্য, তার শেষ নেই। কয়দিন আগে এক বন্ধুর ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেখলাম তাকে গাছ বলদ বলতে এবং আমি ঐ সত্যভাষী বন্ধুটির সাথে একদম একমত। কথা হচ্ছে, এখনকার কিছু ব্যাটসম্যান ঐ ধরনের কাজ করাকে অভ্যাসে পরিণত করেছেন। মুশফিককে নিয়ে আগেই লিখেছি, তার নতুন রোগ হয়েছে এটা, খেলবেন ভালো, খেলতে খেলতে এমন একটা শট খেলে ফিরবেন, যাতে তাকে আর জাতীয় দলের অপরিহার্য অঙ্গ বলে মনে হবেনা!
সিঙ্গেল নেবার কথা বলেছিলাম মনে আছে? বলে বলে চার ছয় এদের সাথে মারতে পারবেন না, তাই চাকা ঘোরাতে হবে সিঙ্গেল দিয়ে, দুই রান দিয়ে। এই শিল্পের শিল্পী তেমন একজনকেও তো দেখি না। এটা হয়নি বলেই কুড়ি বিশের উৎসবে হেরেছে বাঘেরা, এটা না পারলে সব ফরম্যাটেই হারতে হবে আমি এই দিলাম লিখে! মুশফিককে কিপিং করতে না দেওয়া উচিৎ, এনামুল দাঁড়াক না উইকেটের পিছনে।
জেগে ওঠো বাংলাদেশ!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

eighteen − three =