বিরাট কোহলি – সময়ের সেরা ব্যাটসম্যানের জন্মক্ষণে

এই গল্পটা কোহলির…

১৭ বৎসর বয়স তার; হঠাৎ বাবা মারা যায়। রনজি ট্রফির ম্যাচ খেলায় ৪০* রানে অপরাজিত ছিল সে। বাবার মৃত্যুর পরের দিনে সে মাঠে গিয়ে খেলে দলকে পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচায়। দলকে পরাজয়ের হাত থেকে রক্ষা করে নিজ পিতার শেষকৃত্য করে কোহলি।

তার জন্মই হয়েছে ক্রিকেটের জন্য। তার মতো ক্রিকেটকে ভালোবেসেছে খুব কম লোকই। নিজের শতভাগ সে উৎসর্গ করেছে ক্রিকেটের জন্যই।

সে বিশ্বাস করে পরিশ্রম সবকিছু! শুধুমাত্র পরিশ্রমের মাধ্যমেই একটা ভালো প্রচেষ্টা একটা দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হবে! আপনি কতটুকু অনুশীলন করলেন? কী পরিমাণ ঘুমালেন? তার উপর নির্ভর করে। পয়েন্ট এ থেকে বি এর নির্দিষ্ট দূরত্ব আপনি দুই সেকেন্ডে দৌড়ে কভার করলেন নাকি তিন সেকেন্ডে! দুই সেকেন্ডে কভার করলে সহজ ক্যাচ, তিন সেকেন্ডে করলে ভালো চেষ্টা। পুরোটাই নির্ভর করে আপনি ক্রিকেটের প্রতি কতটা আত্মোৎসর্গ! এমনটাই বিরাটের চিন্তাভাবনা।

শুধু ক্রিকেটার না মানুষ হিসেবে সে অনন্য, অসাধারণ! শুরুর কোহলিকে কিছুটা সংশোধন করে নিয়েছে। মাঠে তার আগ্রাসন তাকে আরো বেশি অন্যতম পছন্দের ক্রিকেটার বানিয়ে তুলেছে। জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছে আনুশকার সাথে। বহু দিনের প্রেমের পর ক্রিকেট আর বলিউড মিলেছে এক বন্ধনে! সেখানেও সফল একজন কোহলি।

অনেকেই তার সাথে শচীনের তুলনা আনে! সে নিজেই তুলনায় বিশ্বাস করেনা। তুলনা কার সাথে করবে? তার আইডলের সাথে? যাকে দেখে সে ক্রিকেটে এসেছে তার সাথে? সে তুলনায় বিশ্বাসী না। রেকর্ডসের জন্য খেলে না। খেলে ক্রিকেটটা উপভোগ করে বলেই।

প্রিয় কোহলি, কাঁটাতার পেরিয়েও আপনি আমার কাছের প্রিয় একজন হয়েছেন। ক্রিকেট ভালোবাসি, সম্মান করি আপনাকে। ক্রিকেটের জন্য আপনি, আপনার জন্য ক্রিকেট। আপনি ব্যাট হাতে সফল হতে থাকুন, সাফল্যমণ্ডিত হোক আপনার ক্রিকেটীয় ক্যারিয়ার। বাংলাদেশ থেকে এই ক্ষুদে ভক্তের শুভেচ্ছা নিবেন।

হ্যাপি বার্থডে আধুনিক ক্রিকেটের রাজা, হ্যাপি বার্থডে সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান, বিরাট কোহলি।

::: রিফাত এমিল :::

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

sixteen + 12 =