চেলসির নীল ছেড়ে অ্যাস্টন ভিলার বেগুনীতে…

ম্যানেজমেন্টের আরেকটু সদ্গতি হলে হয়ত তাঁর মত কিংবদন্তীকে চেলসি ছাড়তে হত না। কিন্তু না, এক সময়ের ইংল্যান্ড সতীর্থ ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড, স্টিভেন জেরার্ডদের মত তাঁরও “ওয়ান ক্লাব ম্যান” হয়ে আর থাকা হল না। পর্দার আড়ালে মাঠের বাইরে নয়, মাঠের ভেতরেই যে তাঁর আরও অনেক কিছু দেওয়ার আছে এই বয়সেও। তাই চেলসির একজন কোচ হয়ে থাকার প্রস্তাবনাটা এই শেষবেলায় মনে ধরেনি। তাই নিজের খেলোয়াড়ি জীবনকে আরেকটু প্রলম্বিত করার জন্য চেলসি ও ইংল্যান্ডের কিংবদন্তী সেন্টারব্যাক জন টেরি বেছে নিয়েছেন নতুন একটি ক্লাব। এমন একটি ক্লাব বেছেছেন, যাতে তাকে বাকী খেলোয়াড়ী জীবনে চেলসির মুখোমুখি না হতে হয়। কিংবদন্তী এই ডিফেন্ডারের প্রতি আগ্রহ ছিল প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব বোর্নমাথ, সোয়ানসি সিটিসহ অনেকের। কিন্তু প্রিমিয়ার লিগে থাকলে ত প্রাণপ্রিয় চেলসির মুখোমুখি হতে হবেই! তা কি করে সম্ভব হবে তাঁর পক্ষে? তাই চ্যাম্পিয়নশিপের এক ক্লাবই বেছে নিলেন জন টেরি, নিজের খেলোয়াড়ি জীবনটাকে আরেকটু প্রলম্বিত করার জন্য। ইংলিশ দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব অ্যাস্টন ভিলাতে যোগ দিয়েছেন তিনি।

চেলসির হয়ে ১৯৯৮ সালে অভিষিক্ত জন টেরি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই বিশ বছরের ক্যারিয়ারে ৭১৩টা মত ম্যাচ খেলেছেন, যার মধ্যে তিনি অধিনায়কই ছিলেন ৫৭৮ ম্যাচে। ২০০৫ সালে পিএফএ প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার হওয়া এই ডিফেন্ডার ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে চড়িয়েছেন ৭৮ ম্যাচে। চেলসির হয়ে জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগ থেকে শুরু করে লিগ কাপ, কমিউনিটি শিল্ড, এফএ কাপ, চ্যাম্পিয়নস লিগ, ইউরোপা লিগ – আরও কত কি! ল্যাম্পার্ড, চেক, দ্রগবা, অ্যাশলি কোলদের সাথে তিনিও ছিলেন চেলসির নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

four + nineteen =