ভারতকে গুঁড়িয়ে দিতে পারবেন ত রুবেল?

ওয়ানডে অভিষেক ২০০৯ সালে জানুয়ারিতে, শ্রীলংকানদের কাঁপিয়ে ৩৩ রানে নেন ৪ উইকেট! মিরপুরে ত্রিদেশীয় সিরিজের শ্রীলংকাকে হারাতে যা রাখে বিরাট ভূমিকা! পরের ম্যাচেই মুরালির হাতে বেদম পিটুনি খেয়ে ম্যাচ হারায় বোলার বুঝে যায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এতো ছেলেখেলা নয়! অভিষেকে নায়ক, পরের ম্যাচে খলনায়ক।

উঠে এসেছে গ্রামীণফোন পেসার হান্টের মাধ্যমে! অনুসরণ করেন নিজ বিভাগের মাশরাফিকে। জাতীয় দলের হয়ে নিয়েছে ৭৫ ইনিংসে ৯৩ উইকেট। খুব বেশী আহামরি না হলেও বেশ কার্যকরী!

২০১৫ বিশ্বকাপের আগে মিথ্যা নারী কেলেঙ্কারিতে ফেঁসে বাদ যেতে পারতো বিশ্বকাপ যাত্রা থেকে! কিন্তু বিসিবির সহযোগীতায় সব ধরনের বিপত্তি থেকে রক্ষা পেয়ে বিশ্বকাপে গিয়ে বিদায় করে দেন শক্তিশালী ইংলিশদের! বাংলাদেশকে কোয়াটার ফাইনালে তুলেন এবং ভারতের বিপক্ষে সে ম্যাচেও দুর্দান্ত বল করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা সে ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেই। শেষ হয় আমাদের সফল বিশ্বকাপ যাত্রা।

কিউইদের দুইবার বাংলাওয়াশ করার দুই সিরিজেই ছিলো তার পরোক্ষ অবদান! ক্যারিয়ার সেরা ওয়ানডে বোলিং ২৬/৬ কিউইদের বিপক্ষেই এছাড়া টানা তিন বলে ম্যাককালাম, কোরি এন্ডারসন, জিমি নিশামকে ফিরিয়ে তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে করেছেন হ্যাট্ট্রিক। মোটামুটি আমাদের সব বড় ম্যাচ, সিরিজ জয়ে ছিলো তার পরোক্ষ অবদান!

বোলারদের ক্ষেত্রে সচরাচর ৫ উইকেট বা তার বেশী উইকেট না নিলে মানুষ বেশীদিন মনে রাখেনা! তাই লোকজন তাকেও খুব বেশী ম্যাচ উইনার ভাবে না। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রেক থ্রু, ডেথ ওভারে ভালো বোলিংসহ নানাবিধ গুণ দিয়ে সে আমাদের মাঝে নিজেকে চিনিয়ে রেখেছ! বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচই তার বড় প্রমাণ! সর্বশেষ কিউদের বিপক্ষে বেশ ভালো করেছেন।

সে নিজেকে বাংলাদেশের মালিঙ্গা মানতে নারাজ! সে হতে চায় রুবেল, বাংলাদেশের রুবেল!

রুবেল সামনে আরেকবার কোহলি, আরেকবার ভারত! আমাদের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। আরেকবার নায়ক বনে যান, আরেকবার গুড়িয়ে দিন ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ। পারবেন তো?

@রিফাত এমিল

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

13 + two =