সামনের সময়টা চ্যালেঞ্জের

২০১৫ সালটা ভালোই কাটবে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমিদের । বিশ্বকাপের পরে পাকিস্তানের সাথে হোম সিরিজের কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত । অনেক চ্যালেঞ্জের সিরিজ এটা । গেলো কয়েক মাসে বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে আমাদের খারাপ সময়ে ভারতীয়দের সাথে পাকিস্তানিরাও সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের নিয়ে প্রচুর ব্যাঙ্গাত্নক কথাবার্তা ছড়িয়েছে । সেই হিসেবে আমার কাছে এটি আমাদের জন্যে পে-ব্যাক টাইম । তাছাড়া আমাদের এটাও মাথায় রাখতে হবে যে , পাকিস্তান হলো সেই দল যাদের সাথে সেই ৯৯ তে জেতার পর থেকে আমরা অনেকবার আশা জাগিয়েও শেষ ভালো ফলাফলটা আর আনতে পারি নাই । এশিয়া কাপটার ফাইনালে হয় নাই । পরের এশিয়া কাপে ৩২৬ রানের টার্গেট দিয়েও হলো না । বারবার স্নায়ুর পরীক্ষা দিয়ে কাঁদতে হয়েছে এই পাকিস্তানের সাথে । তাই পাকিস্তানের সাথে সিরিজটা অনেক আশার … পাকিস্তানের সাথে সিরিজটা অনেক ভয়েরও । যে ভালো টাচে আমাদের দল রয়েছে , সেদিক থেকে সংশ্লিষ্ট সবার প্রত্যাশার গ্রাফটা বেশ উপরের দিকেই থাকবে দলকে নিয়ে ।

জুলাইতে আমাদের সিরিজটা দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে । দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে আমাদের ভালো স্মৃতি বলতে কেবলমাত্র ২০০৭ বিশ্বকাপে আশরাফুলের কল্যাণে পাওয়া সেই জয় আর জিম্বাবুয়েতে কোন একটা প্রস্তুতিমূলক আন অফিশিয়াল টোয়েন্টি ম্যাচে ওদের হারিয়েছিলাম আমরা । খেলাটা আমাদের এখানে … তবুও ভয় পাওয়ার আছে অনেক । এটা কার না জানা যে কোয়ালিটি পেইস বোলিং এর বিরুদ্ধে আমরা এখনো দুর্বল ? টা সেটা ঢাকাতেই হোক আর জোহানেসবার্গেই হোক । টিনো বেস্টের মতো মিডিওকোর পেসার আমাদের এখানে এসে আমাদের ভয় পাইয়ে যায় বারংবার । জহির খানের আমাদের সাথে এত এত উইকেট । তাছাড়া আমাদের ওপেনিং পেয়ার এমন সফল একটা বিশ্বকাপেও বারবার ব্যর্থ হয়েছে । পিছনে খোঁচা মেরে আউট হয়েছে বারবার । তাই ঢাকা বলুন আর চিটাগাং , সবখানেই স্টেইনদের সামলানোটা কঠিন হবে ।

তবে ব্যস্ত সূচির কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের প্রধান প্রধান কয়েকজন খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দিয়ে দিলে খুব একটা অবাক হবো না । সেক্ষেত্রে আমাদের লাভের চাইতে ক্ষতি হবে বেশি । জিম্বাবুয়ের বাইরে বড় দলের সাথে কয়টা ম্যাচ খেলার সুযোগ আমরা পাই ? যেগুলোও পাচ্ছি , সেগুলোও যদি এমন আধাআধি হয়ে যায় , কপাল চাপড়াতেই হবে ক্রিকেটরপ্রেমিদের ।

বিশ্বকাপ তো শেষ হলো । এখন সময় সামনের দিকে তাকানোর !

 

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

four × three =