সোনায় মোড়ানো আড়াই মাস

এই মৌসুমের আগে তুষার ইমরানের ডাবল সেঞ্চুরি ছিল একটি। এবার বিসিএলে তিন ম্যাচের মধ্যে করে ফেললেন দুটি। এক ম্যাচ আগেই করেছিলেন ২২০। আজ আউট হলেন ২১৭ রানে। তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি, স্পর্শ করলেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডাবলের রেকর্ড।

২০১৫ সালে মাত্র আট ম্যাচের মধ্যে তিনটি ডবল সেঞ্চুরি করেছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে অলক কাপালি করেছিলেন দটি ডাবল, এবা জাতীয় লিগের শেষ ম্যাচে করলেন আরেকটি। মোসাদ্দেক, অলক ও তুষার, তিন ডাবল সেঞ্চুরিয়ান এখন তিনজন…

সবচেয়ে বেশি রান, সেঞ্চুরি ও ম্যাচ খেলার রেকর্ড আগে থেকেই তুষারের। ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড ছুঁলেন। আরেকটি দারুণ রেকর্ডের হাতছানি ছিল। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে প্রথম শ্রেণির মৌসুমে সর্বোচ্চ রান। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ১২৩২ রান করে লিটন দাস গড়েছিলেন রেকর্ড। ছাড়িয়ে যেতে শেষ ম্যাচে তুষারের প্রয়োজন ছিল ২২৯। আজ মার্শাল আইয়ুবের পার্ট টাইম লেগ স্পিনে আউট হলেন ২১৭ রানে।

“ছিল” না বলে অবশ্য বলা যায়, হাতছানি এখনও আছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ করলেই ছুঁয়ে ফেলবেন লিটনকে, ১২ করলে যাবেন ছাড়িয়ে। তবে সাউথ জোন যেভাবে রানের পাহাড় গড়ছে এবং ম্যাচে যা অবস্থা, তাতে দ্বিতীয় ইনিংসে তুষারের ব্যাট পাওয়ার সম্ভাবনা সামান্যই।

সেটি হোক বা না হোক, মৌসুমটটি হয়ত কখনোই ভুলবেন না তুষার। জাতীয় লিগের শেষ তিন ম্যাচেই করলেন টানা সেঞ্চুরি। বিসিএলে দুটি ফিফটির পর তিন ম্যাচের মধ্যে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি। সোনায় মোড়ানো আড়াই মাস!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

2 × 1 =