জয়ের সুবাস পাওয়া যায়?

রোজ এখানে সূর্য ওঠে, আশার আলো নিয়ে,
হৃদয় আমার, পূর্ণ যে হয়, আলোর পরশ পেয়ে।

এমন রাত এর আগেও এসেছে। দু চোখের পাতা এক হবার আগ পর্যন্ত চিন্তা, কালকে জয়ের উৎসব করতে পারবো তো, নাকি আবারো কাঁদতে হবে? শততম টেস্ট কে জয়ের রঙে রঙিন করার সুবর্ণ সুযোগ আমাদের ক্রিকেটার দের সামনে। একটু ইতিবাচক, আক্রমণাত্মক অধিনায়কত্ব আর ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিঙে চলে আসতে পারে এক ঐতিহাসিক জয়।

লঙ্কান লেজ কে দ্রুত বিদায় করে আমাদের ব্যাট হাতে নামতে হবে। তার জন্য দরকার তেড়েফুড়ে আক্রমণ করা। ইশ! ম্যাশ কে খুব মিস করি নেতার ভূমিকায়। সাকিব হলেও হয়। মুশফিক বড্ড ভিতু। নতুন কিছু করতে চান না। কিন্তু সেটা না করলে তো হবেনা। ওদের অস্ত্রে ওদের কে ঘায়েল করা চাই। এক প্রান্তে শর্ট বল আর ইওরকারের যুগলবন্দী আর অন্য প্রান্তে ঘূর্ণির মায়া। এরপর শুধু মাথা ঠাণ্ডা করে ব্যাট করা। আর বল করার সময় সহজে এক রান ও না দেওয়া। জিততেই হবে!

বর্তমান ম্যানেজার খালেদ মাহমুদের স্মৃতি থেকে নিশ্চয় হারিয়ে যায়নি ২০০৩ সালে মুলতানের সেই কান্না। মোটকু ইঞ্জামাম নিজের সেরা ইনিংস খেললেও রশিদ লতিফের নির্লজ্জতা ঐ ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

২০০৫-০৬ তে অসিদের বাগে পেয়েও হারাতে পারিনি রিকি আর গিলির পেশাদারিত্বের কাছে হেরে গিয়েছিলাম।

মাস্টারদা সূর্য সেনের শহরে ব্রিটিশদের কাছে মাত্র ২২ রানে হেরে সাব্বিরের কান্না মনে থাকবে চিরকাল। লেজের ব্যাটসম্যানদের বেশি বল খেলতে দিয়ে বিপদ ডেকে এনেছিলেন ঐ সাব্বির ই যদিও।

যাই হোক, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি কাল যেন কলম্বো তে স্যার ডনের পায়ের চিহ্ন থাকা মাঠে লাল সবুজের জয়ের চিহ্ন আঁকা যায়।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

1 × 3 =