লজ্জাজনক আম্পায়ারিং ভদ্রলোকের খেলার গায়ে ছিটালো কলঙ্কের কালি

‘গোপন কথাটি,
রবে না গোপন’

খেলার আসল চিত্র
খেলার আসল চিত্র

দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা একমাত্র কবি রবি ঠাকুরের এই লাইনকে সত্য প্রমাণের মিশনে সফল হয়েছেন কালকের খেলার মাঠের বিচারপতিত্রয়ী। তাদের নির্লজ্জ পক্ষপাতিত্ব ভদ্রলোকের খেলা ক্রিকেটের গায়ে ছিটিয়েছে কলঙ্কের কালি। বাংলাদেশ হেরেছে, নাকি তাদের হারিয়ে দিয়েছেন আম্পায়াররা, এই প্রশ্ন তুলেছেন অনেক বিদগ্ধ বিশ্লেষক।
রোহিত শর্মা রুবেলের যে বলটিতে প্রথমে ক্যাচ দিলেন, সাধারন মানুষের চোখে, ভাষ্যকারদের চোখে সেটা নো বল নয়, কিন্তু বিখ্যাত আম্পায়ার আলিম দারের চোখে সেটি হয়ে গেলো নো বল! ঢাকার জিঞ্জিরায় নাকি চশমাশিল্প গড়ে উঠেছে, তো এই মহোদয়কে কিছু চশমা উপহার দিলে মন্দ হয় না! ৯১ রানে থাকা রোহিত শেষে ফিরেছেন ১৩৭ করে। তার সঙ্গী রায়নার এলবিটাও দেননি মাঠের আম্পায়ার, আমাদের সেনাপতি রিভিউ চাইলে ঠিক মতো না দেখেই রায়নার পক্ষে রায় দিলেন স্টিভ ডেভিস। ফক্স স্পোর্টসের ক্যামেরায় পরে দেখা গেছে, তার সিদ্ধান্ত ছিল ভুল!

আইবিএন
ভারতীয় পেস ব্যাটারি ছাড়িয়েছে প্রত্যাশা

এগুলো তো ছিল কেবল শুরু লজ্জাজনক নাটকের। বাংলাদেশের ব্যাটিঙের সময় দুর্দান্ত খেলতে থাকা মাহমুদউল্লাহকে যেভাবে ফেরানো হলো, তাতে আসলে ভাষা হারিয়ে ফেললেন বাংলাদেশের সমর্থকেরা। শর্ট বলে পুল খেললেন রিয়াদ, সীমানায় শিখর তালুবন্দি করলেন সেটা। রিপ্লেতে পরিস্কার দেখা গেলো, শিখরের পা সীমানা স্পর্শ করেছে বল হাতে থাকার সময়ে। কিন্তু আম্পায়ারের চোখে তো অন্য কিছু ধরা পড়তেই হবে! তিনি তাই রিয়াদকে ফেরার পথ দেখালেন!
এসব সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন এমনকি ভারতের সাবেক ক্রিকেটারেরাও। সৌরভ গাঙ্গুলি, অজিত আগারকার, ভিভিএস লক্ষণ বলেছেন এটা মারাত্মক ভুল। আমার মনে হয়, এটা ভুল না, ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত। আলিমদার, ভারতকে খুশি করতে এসব লজ্জাজনক কাজ করেছেন।
আমদের হাত থেকে ম্যাচ ছিনতাই করেছেন আম্পায়াররা, এটা এখন আর অত্যুক্তি নয়, এটাই বাস্তব।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

twelve − seven =