আমাদের দুঃসময়ের নায়ক

দারিদ্র্যের কারণে রফিক খুব বেশী পড়ালেখা করতে পারেনি। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জেতার সুবাধে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দলের সব সদস্য জমি এবং একটি গাড়ি উপহার পেয়েছিলেন। কিন্তু রফিক ঐ জমিটা এলাকার স্কুলের জন্য এবং গাড়িটা বিক্রি করে স্কুল ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। এই সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করলে রফিক বলেছিলেন, ‘আমি পড়া-লেখা শিখতে পারিনি। তাই আমি উদ্যোগ নিলাম আমার মহল্লার সন্তানরা যেন পড়াশুনা শিখতে পারে!’

মূলকাজ বল হাতে থাকলেও বেশকিছু ম্যাচ ইনিংস ওপেন করেছিলেন! তবে বেশীরভাগ ম্যাচে ছিলেন আমাদের শেষদিকের ব্যাটিং কাণ্ডারি। ব্যাটে ঝড় তুলতে পারতেন, ছক্কা মারার অসাধারণ গুণ ছিলো। টেস্টে ৩৪ ছয় আর ওয়ানডে ক্রিকেটে মেরেছেন ২৯ ছয়। টেস্ট এবং ওয়ানডে উভয় ক্ষেত্রে নিয়েছে হাজারের উপর রান আর একশোর অধিক উইকেট। টেস্ট খুব কম খেলার আফসোস করছেন সবসময়। বল করতে পেরেছেন মাত্র ৪৮ ইনিংস বাংলাদেশ তখন বহু ম্যাচ ইনিংস ব্যবধানে হারতো বলে রফিকের আফসোস করতো প্রচুর। আর এখন আমরা বড় দল হয়ে গেছি। রফিক আমাদের প্রথম তারকা ক্রিকেটার। আমাদের ক্রিকেট যতদিন আছে রফিকরা ততদিন সম্মান পাবেন।

১৯৭০ সালের আজকের দিনে জন্মগ্রহণ করেন,রফিক। শুভ জন্মদিন আমাদের দুঃসময়ের নায়ক। ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন মোহাম্মদ রফিক।

@রিফাত এমিল

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

3 × 3 =