যুবরাজের আগমনীবার্তা শুনলো প্যারিস

বার্সেলোনা থেকে বিশ্বের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় হয়ে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে নাম লিখিয়েছেন নেইমার, এ কথা এতদিনে আপনি যদি গুহাবাসী না হয়ে থাকেন তাহলে জানা থাকবে। অনেক কথাই হচ্ছিল, হবে, নেইমার আদৌ কি প্যারিসে খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে। আক্রমণভাগের নতুন সতীর্থ এডিনসন কাভানি, অ্যানহেল ডি মারিয়া, জুলিয়ান ড্র্যাক্সলার, হাভিয়ের পাস্তোরে, হেসে রড্রিগেজ কিংবা লুকাস মৌরাদের সাথে তাঁর বোঝাপড়াটা কিরকম হবে? সে নিয়ে সবারই চিন্তা ছিল। তবে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের হয়ে নিজের খেলা প্রথম খেলাতেই নেইমার জানিয়ে দিলেন – ফরাসী লিগের অনৌজ্জ্বল্যে হারিয়ে যেতে আসেননি তিনি।

গতকালই প্রথম পিএসজির হয়ে মাঠে নামেন নেইমার। ৪-৩-৩ ফর্মেশানে লেফট উইঙ্গার হিসেবে শুরু করা নেইমারের আক্রমণভাগে সতীর্থ ছিলেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার এডিনসন কাভানি আর আর্জেন্টাইন উইঙ্গার অ্যানহেল ডি মারিয়া। গুইনগাম্পের সাথে ৩-০ গোলে জেতা ম্যাচে এক গোল আর এক অ্যাসিস্ট করে পিএসজির দর্শকদের দেখিয়ে দিয়েছেন যে তারা সামনের দিনগুলোতে কি কি দেখতে পাবেন! ৬২ মিনিটে স্ট্রাইকার এডিনসন কাভানিকে সুন্দর পাস দিয়ে গোল করিয়েছেন, ৮২ মিনিটে সেই কাভানির গোলসহায়তা থেকেই নিজে গোলের খাতা খুলেছেন নতুন ক্লাবের হয়ে। বাকী গোলটি আত্মঘাতী।

আক্রমণভাগে মোট এগারটা মত ড্রিবল করেছেন এই ম্যাচে নেইমার, সাথে দিয়েছেন সাতটার মত “কি পাস” ও। গোলমুখে শট করেছেন ছয়বার। প্রায়ই কাভানির সাথে জায়গা পরিবর্তন করে সেন্টার ফরোয়ার্ডের মত মাঝে চলে আসছিলেন, ফলে আক্রমণভাগে ৬৪ বার বল পায়ে নিতে পেরেছেন, যেটা কিনা তাঁর ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ! সতীর্থদের পাস দিয়েছেন ৮৮বার, টেইক-অন ছিল ১১টার মত। উইং থেকে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে সফল ক্রসও করেছেন তিনবার। নতুন ক্লাবের হয়ে প্রথম ম্যাচটা শেষ করেছেন ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েই!

অভিষেকটা একদমই খারাপ হল না নেইমারের!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

ten − 3 =