দেশের ফুটবলে নতুন আলো?

একদা বাংলাদেশ ফুটবল খেলিত এবং চিন, ভারত, মালয়েশিয়ার সাথে সমান তালে লড়ত- রুপকথার গল্পের মতো শোনাচ্ছে? শোনাতেই পারে। কারণ হালে মামুনুল বাহিনীর যে পারফরমেন্স, তাতে লজ্জায় মাথা কাটা যাবার অবস্থা! ভুটানের কাছে ৩-১ গোলে হারের পর বাংলাদেশের ফুটবলের “অ্যাশেজ” মোটামুটি লেখা হয়ে গেছে। তবে তারুণ্যের হাতে এখনও রয়েছে সুযোগ, ভারতের আই লীগের প্রভাবশালী দল বেঙ্গালুরু এফসিকে দুই তরুণ সাদ আর রুবেলের গোলে হারিয়ে ঢাকা আবাহনী ফুটবলে এনেছে নতুন উৎসাহ।

রুবেলের গোল দৃষ্টি কেড়েছে সবার। গোল কিপারকে উপরে উঠে আসতে দেখে তিনি প্রায় মাঝমাঠ থেকে শট নিয়ে বেঙ্গালুরুর জালে বল জড়িয়েছেন। জনাথন ডেভিডের পাসে সাদের গোলটি আবাহনিকে এগিয়ে দেয় আর রুবেলের দর্শনীয় গোলটি নিশ্চিত করে জয়।

এবার আরেকটি বিষয় দৃষ্টি কাড়ার মতো। তথাকথিত তারকাদের বাদ দিয়ে তারুণ্যের শক্তিতে নির্ভর দল গড়েছে সবাই। বিদেশি কোটা কমিয়ে দুই করা হয়েছে। সাইফ স্পোর্টিং নতুন এসে আশা দিচ্ছে ভালো কিছুর। অনেক অভিজ্ঞ কোচ মারুফের হাতে একদল তরুণকে নিয়ে যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ এবং তিনি দেখিয়ে দেবার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

সবথেকে বেশি দরকার তরুণ প্রতিভা খুজে বের করে একাডেমীতে প্রশিক্ষণ দেওয়া। বাফুফে একটা একাডেমী চালু করে ধরে রাখতে পারলো না! নেপাল চালায় চারটা! ইচ্ছাটা থাকতে হবে তো! এবারের ঘরোয়া মৌসুম আমাদের ফুটবলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ- একথা বলছেন অনেক অভিজ্ঞ কোচ।

মামুনুল মার্কা গ্রুপিং বিশেষজ্ঞ তারকা আর দেখতে চাই না, বদল চাই। চাই তারুণ্যের শক্তিতে শক্তিমান হয়ে উঠুক আমাদের ফুটবল। খেলা ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দেন যত পারা যায়। ক্লাব গুলোর হোম কেন শুধু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম হবে? এতদিন পরেও কোন ক্লাবের জিম নেই। কি হাস্যকর কথা! ঢাকায় জায়গা নেই, ঠিক আছে, তো আপনারা কেন জেলা শহরে যান না? এগুলো নিশ্চিত করাই তো বাফুফের দায়িত্ব।

শুভ কামনা এদেশের ফুটবলের জন্য!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nineteen + 13 =