মাই ক্যাপ্টেন

শুরুটা ছিল তামিম – সৌম্য দিয়ে, মাঝের কান্ডারি সাকিব, দাঁড় টেনেছে সাব্বির – নাসির রাও …শেষ অবধি অধিনায়ক এনে দিয়েছেন ছোট্ট ক্যামিও …
তাতেও কি যথার্থ ছিলই এই ভারতীয় লাইন আপ এর সামনে ?
ক্রিকেট যে শুধু ব্যাট আর বলের খেলার ই না, খেলা তা বুদ্ধি, বিচক্ষণতা কিংবা মানসিকতার ও …
তাই ছোট ওয়াহ কে অবলীলায় ছাপিয়ে যান বড় ওয়াহ, অনেক ভাল ব্যাটসম্যান হয়েও

নিজে অনেক গুলো ম্যাচ খেলেছেন ভারতের বিপরীতে , জিতিয়েছেন তো বটেই …
কোন ম্যাচেই স্পিন দিয়ে তেমন ঘায়েল করতে পারেন নি, অন্তত ভাল করেই জানেন যে ভারতের শুরুটা ভেঙ্গে দিতে না পারলে এরপর ৪০০ ও ওদের কাছে ডাল ভাত …
নিলেন ৪ টা পেসার …জুয়া খেললেন কী ? নাকি ক্যালকুলেটেড ??
বল টা শুরু করল ১৯ বছর বয়েসি এক তরুণ, ওডিআই তে ২ টি ডাবল সেঞ্চুরি হাকানো ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে …অথচ অধিনায়ক নিজে আসতে পারতেন, করেন নি … এটা হল নতুন কে এনকারেজ করা, লক্ষ্য করবেন এমন সময়ে কাজ টি করেছেন যখন দল মোটামুটি ভাল একটা পুঁজি পেয়েছে ব্যাটিং এ … ২০০ রান ডিফেন্ডিং এ মুস্তাফিজ কে দাড় করিয়ে দিলে ছেলেটা আত্মবিশ্বাস পেতো না এভাবে …
অপর প্রান্তে কাকে আনলেন ? আরেক সদ্য কিশোর ছাড়ানো তরুণ ২০ বছরের এক্সপ্রেস ট্রেন তাসকিন আহমেদ কে …
রোহিত-ধাওয়ান অনেক অভিজ্ঞ, টেকনিক্যালি এইসব মাঠের জন্য তো গুরু পর্যায়ের ব্যাটার… তাদের হাতে কিছুটা হেনস্তা হবার পর ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলেন না, আবার আবার আনলেন, এবং লক্ষ্য করবেন, সেই এটাকিং মেন্টালিটি রেখেই । স্লিপ রাখলেন, মিড অন/ অফ বৃত্তের ভেতরে রেখেই বলে গেলেন অফ করিডোরে বল করতে…
মুশফিক দুটা সোজা ক্যাচ না ছাড়লে আগেই হয়ত চেহারা বদলে যেতো কিন্তু রান রেট ৬ এর উপরে ৭ এর কাছে যাবার পর ও ছাড় দিলেন না এটাক করতে …
ফলাফল, স্ট্রং অফ চ্যানেলে বল করার ফায়দা হাসিল হল… কাদের মাধ্যমে ?
সেই উনিশ-কুড়ির হাত ধরেই …
বাংলাদেশ সামনে আরেক তামিম পাবে, আশরাফুল- মুশফিক পেতে পারে …
নাসির-সাব্বির দের ও পাওয়া যাবে কিন্তু মাশরাফি র মতন মাঠ ও মাঠের বাইরের মানসিকতার নেতা পাবে কিনা বলতে পারছি না …

তাই অধিনায়কের প্রতি টুপি খোলা সম্মান জানাতে বাধ্যই হচ্ছি …
অভিবাদন কৌশিক ভাই

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

one + six =