ইতিহাসের সাক্ষী এমসিজিতে স্বপ্নের কাপের লড়াই

mcg3

ক্রিকেটিয় নস্টালজিয়ায় যে নামগুলি গায়ে শিরশিরে অনুভূতি তৈরী করে, সেগুলোর মধ্যে সর্বাগ্রে থাকবে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের নাম। ক্রিকেট ইতিহাসের প্রায় সকল ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে মেলবোর্ন শহরের প্রতীক হয়ে যাওয়া এই স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামেই হয়েছিলো ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ। বৃষ্টিতে ভন্ডুল হয়ে যাওয়া টেস্ট ম্যাচকে এখানেই কাটছাট করে বানানো হয়েছিলো ওয়ানডে। কুখ্যাত বডিলাইন সিরিজের জন্মতো এখানেই। সেই মাঠেই আজ একাদশ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলছে দুই স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড।

২০১৫ বিশ্বকাপ ফাইনালিস্ট
২০১৫ বিশ্বকাপ ফাইনালিস্ট

মেলবোর্নে একসাথে খেলা দেখতে পারেন এক লক্ষ চব্বিশ হাজার দর্শক। চেয়ার বসানোতে ইডেন গার্ডেনয়ের আসন সংখ্যা কমে যাওয়াতে এই মুহুর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এই এমসিজি। ১৯৯১ বিশ্বকাপের ফাইনাল হয়েছিলো এখানেই। তাতে গ্রাহাম গুচকে পেছনে ফেলে শিরোপার স্বাদ নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ইমরান খান।

এমসিজি আকারে বেশ বড়। এর মাঠের আয়তন ১৭১মিটার x ১৪৬ মিটার। ১৮৫৬ সালে উদ্বোধন হওয়া এই মাঠে সর্বোচ্চ রান এশিয়ান ক্রিকেট একাদশের। ২০০৫ সালে সুনামির ত্রান তহবিল গঠনের ম্যাচে তাঁরা আইসিসি ক্রিকেট একাদশের বিরুদ্ধে করে ৮ উইকেটে ৩৪৪ রান। সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত রান মার্ক ওয়াহর ১৭৩। ২০০১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই রান করেন তিনি।

অনেক সময় ভেন্যু গুরুত্ব পায়না ক্রিকেটিও মহত্বের কাছে। কিন্তু এমসিজি যেনো এর সরব ব্যাতিক্রম। এই মাঠ ইতিহাসের সাক্ষী শুধু নয়, ইতিহাস তৈরীর কারখানাই যেনো! আজ এই মাঠেই ইতিহাসের হাতছানি অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের সামনে।

 

লিখেছেন – আসিফুজ্জামান পৃথিল

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

19 − seven =