খেলার কোটা, কোটার খেলা

বাংলাদেশের খেলাতে কোটা সিস্টেম দিন দিন পাথর হয়ে যাচ্ছে। এমিলি, বাংলাদেশের সেরা স্ট্রাইকার ছিলো। এখন গোল না পেলেও খেলাতে হবে। তার জন্য এনামুলকে অন্য পজিশনে খেলানো হবে। ফুটবলের বেঞ্চ লিজেন্ডদের জাতীয় দলে চান্স পাওয়া তো কমেডির মতো অবস্থায় চলে গেছে। তাদের সুযোগ দিতে দল হয় ২৩ জনের। গোল কীপার নেয়া হয় ২ জন। আবাহনী, জামাল, রাসেল, মোহামেডান সবার জন্য নাকি কোটা আছে।

ক্রিকেটে শুভাগত হোম- সে নাকি দেশ সেরা অফ স্পিনার। সেটা আবার সিলেক্টর ছাড়া কেউ জানে না। আলামীন আবার সুযোগ না পাওয়া মনে হয় কোন কোটা নাই বলে।

সুজন যেমন খেলোয়াড় থাকা অবস্থা থেকেই শুনতাম ম্যানেজার হবে।।এখন দেশের সব থেকে দামী ম্যানেজার উনি। ক্রিকেট বিশ্বেও অন্যতম।

হকিতে তো কোটার কারনে কিছু ক্লাবই হারায়ে গেছে। খেলোয়াড়রা যে আছে সেটাই অনেক।

দাবাতে বাবা কোটাতে একজন অনেক দেশ ঘুরতো। আর আমাদের ভবিষ্যৎ গ্রান্ড মাস্টার কে হবে কেউ জানে না।

এত কথা বলে কি লাভ, বি সি এস কোটাতে ৫৫% কোটা থাকলে উনারা বাকিদের কোটাতে সুযোগ দিবেন সে তো স্বাভাবিক।

বাকি যে ৯৯% লোক আমাদের যাদের কোটা নাই, ধরে নেই বেচে আছি- এটাই কোটার জন্য। যা পাচ্ছি- সেটাই অনেক।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

20 − twenty =