শেষমেষ তো সমান সমানই

১) দিনের প্রথম সেশনে সাকিবের ব্যাটিং দেখছিলাম আর অবাক হচ্ছিলাম । সাকিবের টেস্ট ক্যারিয়ারে এমন সেন্সিবল ওকে খুব কমই দেখেছি । হারমার ফ্লাইট দিচ্ছিলো । সাকিব ঠান্ডা মাথায় খেলছিলো । পেইসে আর স্লো মিডিয়ামে বেরিয়ে এসে মাথা গরম শট খেলছে না । লাঞ্চের আগে মুশি আউট হয়ে গেলেও ভরসা পাচ্ছিলাম । লিটনকে প্রথমে ফসকা ফসকা লাগলেও সময় গড়াতে ওকে বেশ থিতু লাগলো । সাকিব লাঞ্চের পরেই সবার ভুল ভাঙিয়ে দিলো । সাকিবের পটেনশিয়াল নিয়ে অনেক কথা মানুষ কখনোই বলতে পারে নি । আজও পারবে না । দিনের শেষে সে-ই দলের সেরা পারফর্মার । তবে সত্য কথা বলতে কি পাঁড় সাকিব ভক্ত হয়েও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে সেদিন দিনের শেষ ওভারে সাকিবকে আকাশে উঠাতে দেখে বা আজকে বড় লিড নেবার ভালো চান্স থাকলেও সাকিবের উঠিয়ে দেওয়ার দৃশ্য চোখের জন্যে খুব সুখের হয় না কখনোই ।

২) বাংলাদেশ ঐ অল্প কটা রানের লিড নিয়ে যখন ছেড়ে দেয় , তাতেও আমার কাছে বিশাল এডভান্টেজ লেগেছে । হারমারই ভালো টার্ন পেয়েছে , আমাদের সাকিব-জুবায়ের তো শেষ বিকেলে একদম ম্যাথ পরীক্ষা নিয়ে নেবার কথা প্রোটিয়াদের । এই ইকুয়েশনটায় ফেইল খেয়ে যাওয়াতেই মনে হয় দেইনের শেষে সমানে সমান বলতে হচ্ছে আবারও । লিড তো ওরা ২০ ওভারের মত খেলেঈ শেষ করে দিলো । এখন ১০ উইকেট আর ১০ উইকেটের সমান খেলা কালকের দিনে । বাংলাদেশকে যদি ফোর্থ ডেতে সাকিব-তাইজুল আর জোবায়ের থাকায় এগিয়ে রাখেন , তাহলে এইটাও মাথায় রাখুন বাংলাদেশকে ফোর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে হবে ।

৩) স্টেইনকে লোয়ার অর্ডারের সাথে খুব তেড়েফুঁড়ে বল করতে দেখলাম । সাথে সাথে উইকেট পেয়ে একটু যেন অন্যরকম উদযাপনও । হুঙ্কার দিয়ে রাখলো নাকি ? দিলে দিক ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

19 − nine =