দ্যা ইনক্রেডিবল হাল্কের ফেরা

হাল্ক অনেকদিন পরে ডাক পেয়ে দুইটা ফ্রেন্ডলির দুইটাতেই গোল পেল । কোস্তারিকার সাথে গোলটা একটু আলোচনাতে আসলেও পরে আমেরিকার সাথে গোলটা নিয়ে মানুষ একেবারেই কথা বলে নাই । আসলে লুকাস আর নেইমারে ঢাকা পড়ে গিয়েছিলেন হাল্ক ।
স্কোলারি নিয়মিত হাল্ককে স্টার্ট করানোতে কতবার বিরক্ত হয়েছি তার হিসাব নাই। রাশান লিগের গোল বলে তার গোল আর স্ট্যাটিস্টিক্সকে পাত্তা দিতাম না একদমই। তারসাথে যোগ হয়েছে , খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু জায়গায় তার একদম হাস্যকর কিছু ভুল। সবমিলিয়ে সারা দুনিয়ায় হাল্কের একজন বড় সমালোচক থাকলে সেটা ছিলাম আমি ।
তবে এবার আমি দুঙ্গাকে অবশ্যই একটা বড় ধন্যবাদ দেবো বিশ্বকাপ বাছাই মিশন শুরুর আগ দিয়েই হাল্ক আর লুকাসকে পিক করাতে । লুকাস যে দারুন চয়েজ এটা তো প্রমাণ হয়েই গেছে । তবে আমাদের সিচুয়েশন অনুযায়ী হাল্কও যে এই মুহূর্তে দারুন চয়েজ হয়েছে সেটা আরেকবার প্রমাণ হয়ে গেলো গতরাতে ।
ভ্যালেন্সিয়ার সাথে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচ ।
দুটো গোল ।
প্রথমটায় যে স্পিডে বলটা নিয়ে অত অল্প জায়গার মধ্যে এত দারুন ফিনিশ করল জাস্ট ভাবা যায় না । অত কম জায়গা থেকে অমন স্পিডে ফিনিশ করে হাল্ক দেখিয়ে দিলো যে কাউন্টার এটাকে অন্তত এই ব্রাজিলের অন্য যে কারোর চাইতে বেশি নির্ভরযোগ্য লোকটার নাম হাল্ক । আর ২য় গোলটাতে আরো বেশি গতি আর আরো বেশি আত্মবিশ্বাস ।
তারদেল্লি চীনে চলে গেছে , রবিনহো নিভে যাওয়া তারা ।
লুইজ আদ্রিয়ানোকে মিলানে দেখে ডেডলি ফিনিশার মনে হয় নাই ।
পাতো নিয়মিত গোল পাচ্ছে ।
আর কালকে হাল্ক একদম চোখ ধাঁধিয়ে দিলো ।
সামনের মাসের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে অন্তত অনেক ভালো একটা স্কোরিং অপশন পেয়ে গেলো ব্রাজিল ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

14 − 1 =