একটি ফুটবলময় জীবনের আত্মকাহিনী!

১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ থেকে ফ্রান্স সাপোর্ট করা শুরু আমার। ফুটবলের প্রতি আগ্রহটাও তখনই গ্রো করা শুরু করে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল যে, থিয়েরি অঁরি কে নিয়ে স্বপ্নও দেখতাম। আর জিদান তো এখনও আমার ফুটবল হিরোই হয়ে আছে। ২০০০ সালের ইউরো জিতার পর নিজের সাপোর্ট করা দলকে নিয়ে গর্ববোধ আরও বেড়ে গেল। ২০০৬ এ আমি সাপোর্টার হিসেবে ক্রেইজি পর্যায়ে পৌঁছে গেলাম। অর্ডার দিয়ে বিশাল পতাকা বানালাম ফ্রান্স এর। সাথে অসংখ্য পোস্টার অঁরি-জিদান-ট্রেজেগের। ফাইনালে হারার পর রীতিমত অসুস্থ হয়ে গেছিলাম। কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে যেখানে অলমোস্ট বাদ পড়ে গিয়েছিলাম, সেখান থেকে উঠে এসে ফাইনাল খেলাটাও অনেক বড় ব্যাপার ছিল। কিন্তু এসব বলে নিজেকে বুঝ দেয়া যায় না। ওদিকে বাসার সবাই আর্জেন্টিনার ফ্যান হওয়ার কারণে সেই খেলা গুলোও খুব আয়োজন করেই দেখা হত। সার্বিয়াকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর আমিও মুগ্ধ হলাম ওদের খেলায়। তাছাড়া লিওনেল মেসির উত্থান ধীরে ধীরে আর্জেন্টিনার প্রতি আমার দুর্বলতা বাড়িয়ে তোলে। ওদিকে ক্লাব ফুটবলে আর্সেনাল করতাম অঁরি-বার্গক্যাম্প এর কারণে। অঁরি বার্সায় চলে আসার পর, আর্সেনালকে কেন যেন আর ভাল লাগত না। সাথে রোনালদিনহো-মেসির ফ্যান হওয়ার কারণে আর রিয়ালকে দেখতে না পারার কারণে অটোম্যাটিক বার্সার ফ্যান হয়ে গেলাম কেমনে যেন। ক্লাব ফুটবলে তখন থেকেই (গত ১০ বছর) একটা টিমই সাপোর্ট করে এসেছি। ইন্টারন্যাশনাল খেলায় সবার আগে আমি একজন ডাই হার্ড ফ্রান্স সাপোর্টার গত ১৮ বছর ধরে। আর্জেন্টিনাটাও আমার খুব পছন্দের, তার বয়সও তো ১০ বছর হয়ে গেল।

 

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

9 − two =