ঘরেই থাকলো ট্রফি- আবাহনী উড়িয়ে দিলো ইস্ট বেঙ্গলকে

সব কটা জানালা, খুলে দাও না,
আমি গাইবো, গাইবো, বিজয়েরই গান!
আসলে কি লিখবো, বুঝতেই পারছি না! এত আনন্দ! আনন্দে মানুষ নাকি কিছু সময়ের জন্য ভাষা হারিয়ে ফেলে, আমার অনেকটা সেই অবস্থা। চট্টগ্রাম আবাহনী যেভাবে গোল খেয়েও ৩-১ গোলে ফাইনাল জিতে গেলো ওপার বাংলার দৈত্য ইস্টবেঙ্গল এর বিপক্ষে, তাতে কি আর বলার থাকতে পারে! এ এক অবিস্মরণীয় প্রত্যাবর্তনের গল্প। এলিটা কিংসলে যেভাবে দাপিয়ে বেড়ালেন পুরো মাঠ, দুই গোল করে আর একটি করিয়ে যেভাবে দলকে জিতিয়ে দিলেন, তাতে নায়ক তাকেই বলা যায়! শেখ কামালের হাস্যময় মুখের ছবিটা দেখে মনে হচ্ছিলো, বেঁচে থাকলে আজ তার হাসিটা আরও বড়ই হতো!
এই সুযোগে একটা কবিগান লেখার চেষ্টা করি, দেখি হয় কিনা।

আরে, শোন শোন শোন ভাই, শোন দিয়া মন,
চট্টগ্রাম আবাহনীর বিশাল অর্জন!!
চট্টগ্রামের মাটিতে হল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ,
এত বিশাল আয়োজন, ওরে বাপরে বাপ!
খেলল বিভিন্ন দেশের আট আটটি দল,
দেশপ্রেমের মাপকাঠি ফুটবলের ফল!
চট্টগ্রামের আবাহনী, রাখল দেশের মান,
ইস্টবেঙ্গলকে উড়িয়ে দিয়ে, হল চ্যাম্পিয়ন!
এলিটা কিংসলে হল সেরা খেলোয়াড়,
তার মতো খেলোয়াড়ের জুড়ি মেলা ভার।
জাত স্ট্রাইকার তিনি, বাঘ গোলমুখের,
তার পায়ে গেলে, গোলেই ঠিকানা হয় বলের!
সেমিতে দুই গোল আর ফাইনালে দুই, মোট হল চার,
আফগান আর ইস্ট বেঙ্গলের ওতেই পগার পার!
সবশেষে একটি কথাই বলে যেতে চাই,
এই টুর্নামেন্ট যেন হারিয়ে না যায়!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

18 − 1 =