সিটির মিডফিল্ডে আবারো সাম্বার আবাহন : ডগলাস লুইজ

ফার্নান্দো, ফার্নান্দিনহো। ম্যানচেস্টার সিটির সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে যথারীতি এই দুইজন ব্রাজিলিয়ান আছেন বেশ কয়বছর ধরেই। এবার এদের সাথে যোগ দিলেন ডগলাস লুইজও। ভাস্কো ডা গামার এই মিডফিল্ডারকে ১০.৭ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে পাঁচ বছরের চুক্তিতে দলে ভিড়িয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।

ভাস্কো ডা গামাকে ব্রাজিলিয়ান দ্বিতীয় বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে তোলার পেছনে অনেক বড় ভূমিকা আছে ১৯ বছর বয়সী এই তরুণের। গত মৌসুমে লিগ টেবিলের মাঝামাঝি শেষ করা ভাস্কো ডা গামার হয়ে ২৫টার মত ম্যাচ খেলে গোল করেছেন তিনটি। তবে এখনই সিটির মূল একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন না লুইজ, লা লিগার ক্লাব জিরোনাতে এক মৌসুমের জন্য সাথে সাথে ধারে পাঠানো হয়েছে তাঁকে।

সাধারণত একজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হলেও মাঝেমাঝে আক্রমণে উঠে যাওয়ার একটা অভ্যাস আছে লুইজের। অনেকে ডগলাস লুইজকে আরেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার পাওলিনহোর সাথে তুলনা করছে, তাদের খেলার স্টাইল প্রায় একই হবার কারণে। খুব বেশী লম্বা না হলেও তিনি বেশ শক্তপোক্ত একজন মিডফিল্ডার, প্রথাগত ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডারদের মত তিনিও বল পায়ে বেশ স্বচ্ছন্দ, ছোট ছোট পাসে খেলতে পছন্দ করেন। দূরপাল্লার শট নেবার প্রবণতাও আছে। লম্বা না হবার কারণে বাতাসে বেসে আসা বল সামলাতে অতটা পারেন না, আদর্শ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের মত ট্যাকলেও অতটা পারদর্শী নন, তাই ক্যারিয়ারের পরবর্তী ধাপে পেপ গার্দিওলা যদি তাঁকে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারও বানিয়ে দেন, আশ্চর্য হবেন না মোটেও।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

five × 3 =