দানি আলভেস আউট, ডগলাস কস্টা ইন

গত বেশ কয়েক বছর ধরেই ৩-৫-২ ফর্মেশানে খেলে আসছে ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাস। মাঝে মাঝে ৪-২-৩-১ ফর্মেশানেও শিফট করে তারা। ৩-৫-২ হোক বা ৪-২-৩-১, প্রতি ফর্মেশানেই উইঙ্গার ও উইংব্যাকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। উইংব্যাক ও উইঙ্গারের দায়িত্ব এতদিন জুভেন্টাসে পালন করে এসেছেন স্টেফান লিখটস্টাইনার, হুয়ান কুয়াড্রাডো, পাবলো আরমেরো, অ্যালেক্স সান্দ্রো ও দানি আলভেসের মত খেলোয়াড়েরা। এই মৌসুমে জুভেন্টাস ছেড়ে ফরাসী ক্লাব পিএসজিতে নাম লিখিয়েছেন দানি আলভেস। ক্লাব ছাড়তে পারেন হুয়ান কুয়াড্রাডোও। তাই জুভেন্টাস এবার ক্লাবে নতুন উইঙ্গার হিসেবে নিয়ে আসছে বায়ার্ন মিউনিখের ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার ডগলাস কস্টাকে। এই উইঙ্গারের অভাবে গত মৌসুমে মারিও মান্দজুকিচের মত সেন্টার ফরোয়ার্ডকে লেফট উইঙ্গার হিসেবে খেলিয়েছিলেন জুভেন্টাস কোচ মাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রি। এবার স্ট্রাইকার গঞ্জালো হিগুয়াইনকে আরও ভালো সার্ভিস দেওয়ার জন্য অ্যালেগ্রি জুভেন্টাসকে উইংনির্ভর খেলা খেলাতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে, আর সে জন্যই দলে উইঙ্গারের প্রয়োজন, যার জন্যই দলে ডগলাস কস্টার আগমন। আপাতত বায়ার্ন থেকে দুই বছরের ধারে জুভেন্টাসে যোগ দিচ্ছেন ডগলাস কস্টা, ৬ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে, ধারের মেয়াদ শেষে জুভেন্টাস ৪০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে কিনতে পারবে ডগলাস কস্টাকে।

প্রথাগত ব্রাজিলিয়ানদের মতই বল পায়ে কারিকুরির অভাব নেই ডগলাস কস্টার। ড্রিবলিংয়ে অসাধারণ এই মিডফিল্ডার গোল বানিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি গোল করার ক্ষেত্রেও আগ্রহী, দূরপাল্লার শটে গোল করতে বেশ পছন্দ করেন। ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে প্রায়ই গোলমুখে ছুটতে দেখা যায় তাঁকে। চূড়ান্ত গতিসমৃদ্ধ এই খেলোয়াড় কাউন্টার অ্যাটাকিং স্টাইলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। কড়া মার্কিংয়ের মধ্যে অনেক কম জায়গার মধ্য থেকে চূড়ান্ত গতিতে ড্রিবল করে বল বের করে নিয়ে আসার ক্ষমতা তাঁকে দিয়েছে অনন্যতা। বাম পায়ের এই খেলোয়াড় ক্রস করতেও পারেন বেশ, যেটা কিনা হিগুয়াইনের মত স্ট্রাইকারের জন্য বেশ উপকারে আসবে। গত মৌসুমে ৩৫ টার মত ম্যাচ খেলে কস্টার গোল আটটি, অ্যাসিস্ট ছয়টি।

হিগুয়াইন, মানজুকিচ, ডাইবালাদের পাশাপাশি আক্রমণভাগে আরেকটা বিশ্বসেরা খেলোয়াড়, সামনের মৌসুমের জন্য বেশ ভালোই প্রস্তুত জুভেন্টাস!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

18 − 10 =