দিনবদল

আমি যে এলাকায় থাকি তা হলো ক্রিকেট জুয়ার আখড়া! অলিগলি এমনকি প্রত্যেক ঘরেই হয়তো জুয়াড়ি পাওয়া যাবে! এদের একটা ক্রিকেট ম্যাচ পাইলেই হইলো, জুয়া ধরতে হবেই। এরা ভারতের ইস্ট জোন আর ওয়েস্ট জোনের খেলা নিয়েও বাজি ধরবে এমনকি অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের পাপুয়ানিউগিনি বনাম ভারতের ম্যাচও বাদ যাবেনা। প্রত্যেক ম্যাচ তো বটে প্রত্যেক বল, ওভারে এরা জুয়া ধরে এমনকি ব্যাটসম্যান নিয়াও জুয়া চলে।

আর এই ক্রিকেটীয় জুয়ার ঈদের মৌসুম হলো আইপিএল। আইপিএলে ভালোই চলে এই জমজমাট জুয়ার আসর। আইপিএল আসলে নতুন, পুরাতন সব জুয়াড়ি এসে একসাথে খেলা দেখবে এবং হরেক রকমের জুয়ার আসর জমাবে। এসবের জন্য উত্তম স্থান হলো এলাকার টঙ দোকান।

তবে একটা দিক ভাল্লগে, এসব লোকজন আবার বাংলাদেশের ম্যাচ নিয়া বাজি কম ধরে! যারা ধরে তারা আগে বাংলাদেশের বিপক্ষেই ধরে আর ধরলে হিসাব হতো বাংলাদেশে জিতলে প্রায় দ্বিগুণ/তিনগুণ টাকা পাবে যে বাংলাদেশের পক্ষে ধরবে। মানে সবাই একরকম নিশ্চিতই থাকতো বাংলাদেশ হারবে। তবে গত কয়েকবছর বিশেষ করে ২০১৫ এর পর হতে বাজির দান পুরো উল্টো গেছে। এখন তো বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ থেকে বেশী পায়। আজকের ম্যাচের জন্যও বাংলাদেশ হাজারে ১৭০০ এর আশেপাশে পাবে। সবই ওয়ানডে দুর্দান্ত পারফর্ম করার জন্য, এখন প্রায় সবাই বাংলাদেশ নেওয়ার পক্ষেই থাকে।

পুনশ্চ : ক্রিকেট জুয়া নিয়ে আলোচনা করা অধিকার থাকলেও সমালোচনা করার অধিকার আমার নেই কারণ আমি নিজেই টুকটাক বাজি ধরি।

@রিফাত এমিল

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

two × one =