কিংবদন্তীর কথা বলতে এসেছি

সমালোচকের তোপের মুখে, পড়েছি হাজারবার ব্যাট আর বলে, মাঠে দিয়েছি কঠোর জবাব তার। বাপ্পা মজুমদারের গানের এই দুটি লাইন যেন তার জন্যই লেখা। পান থেকে চুন খসলেই আমরা আমাদের গালিসাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রমাণ দেই তাকে উদ্দেশ্য করে। তিনি কিন্তু ভিন্ন ধাতুতে গড়া, ফিরে আসেন আবার। ব্যাট তার হাতে তলোয়ার হয়ে যায়, বল দিয়ে

টেস্ট রোমাঞ্চে ভরপুর এক দিন- দুদলই সমানে সমান

আহা! এমন দিন দেখার জন্যই তো টেস্ট ক্রিকেট দেখা যায় এবং বলা যায়, ওহে বাচ্চারা, ওয়ানডে আর টি টুয়েন্টি দেখে দেখে রুচি নষ্ট হয়ে গেছে তো, তাই বুঝছো না, আসল মজা হল টেস্ট ক্রিকেটে, যা ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদলায়, যেখানে জয়ের জন্য শারীরিক ও মানসিক শক্তির পরীক্ষা দিতে হয়

স্মৃতি অম্লানঃ ফতুল্লা ২০০৬, এবার চাই জয়

আমাদের জাতীয় কবি বলেছেন, " অতীত দিনের স্মৃতি, কেউ ভোলে না কেউ ভোলে" টেস্ট ক্রিকেটে আমাদের এই ১৭ বছরের পদচারনার অনেক স্মৃতি যেমন ভুলে যাবার মতো, তেমনি অনেক স্মৃতি মনের মণিকোঠায় সযত্নে সাজিয়ে রাখার মতো। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০০৬ সালের ফতুল্লা টেস্ট তেমনি এক গল্প, যে গল্প একই সাথে গৌরবের আবার "ইশ!" এর।

হাথুরু এবং পাপনঃ দরকার দুজনকেই

অনেক দিন কিছু লিখি না। সাধারণত বাংলাদেশের খেলা না থাকলে আমি লিখি না। সামনে এক সময়ের প্রবল পরাক্রান্ত অস্ট্রেলিয়া। বহুল প্রতীক্ষিত এক সিরিজ। আবার কলম হাতে নিলাম। "স্বাধীনতা তুমি, যেমন ইচ্ছে লেখার আমার কবিতার খাতা" কিন্তু বালকদের স্বাধীনতা মানায় না। আর মানায় না একনায়কদের। মানে, আমিই সব- এমন ভাব যারা ধরে, তাদের

কার্ডিফে আবারো লাল সবুজের রুপকথা

“ তুমি আমার বায়ান্ন তাস, শেষ দানেও আছি, তোমার নামে, ধরেছি আমার, সর্বস্ব বাজি” ৯০ দশকের এই ক্তুমুল জনপ্রিয় ব্যান্ডসঙ্গীতটি কালকে প্রথম মনে হল, যখন ৪২ কি ৪৩ তম ওভারে সবার চোখ ছানাবড়া করে দিয়ে বোলিঙে ম্যাশ নিয়ে এলেন সৈকত কে। আমিও ভেবেছিলাম হয়তো বল পাবে তাসকিন। কিন্তু বাজি ধরলেন অধিনায়ক, চমকে

ক্রিকেটের জন্মভূমিতে জমকালো আয়োজন

আমি কিন্তু ট্রফি দেখছি কেন উইলিয়ামসনের হাতে! কোন সময় ভবিষৎবাণী করিনা। ক্রিকেটের প্রতি আমার অনুরাগ সেই ছোট্ট বেলা থেকে, কিন্তু কখনো এমন কথা প্রকাশ করিনি, মনে যা ছিল তা ভিন্ন কথা। এবার বলেই দিলাম। কেন উইলিয়ামসনের বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়কত্ব, ব্যাটসম্যান হিসাবে তার নির্ভরযোগ্যতা, চাপের মুখে অবিচল থাকা আর দলে সব্যসাচীর সমাহার- সব

অধিনায়ক মাশরাফির ভুল

মাশরাফির ভুল নিয়ে বলার ক্ষমতা বা ইচ্ছা কোনটাই আমার নেই, আগেই স্বীকার করে নিচ্ছি। নাহলে অনেকে মনে করতে পারেন, আমি মাশরাফি বিদ্বেষী গ্রুপের সদস্য হয়ে গেলাম কিনা। আসলে না, আমি এসব কোন গ্রুপকেই ভালো মনে করি না। অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো না। এই যেমন- অধিনায়ক মাশরাফি অতিমানব, তিনি ভুল করতে

দেশের ফুটবলে নতুন আলো?

একদা বাংলাদেশ ফুটবল খেলিত এবং চিন, ভারত, মালয়েশিয়ার সাথে সমান তালে লড়ত- রুপকথার গল্পের মতো শোনাচ্ছে? শোনাতেই পারে। কারণ হালে মামুনুল বাহিনীর যে পারফরমেন্স, তাতে লজ্জায় মাথা কাটা যাবার অবস্থা! ভুটানের কাছে ৩-১ গোলে হারের পর বাংলাদেশের ফুটবলের “অ্যাশেজ” মোটামুটি লেখা হয়ে গেছে। তবে তারুণ্যের হাতে এখনও রয়েছে সুযোগ, ভারতের

আইপিএল দেখানো যায়, আর আমাদের ঢাকার ক্রিকেট কি অখাদ্য?

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরু হয়েছে, খেলাও প্রতি বছর বেশ ভালোই জমজমাট হয়। তবে আমাদের দূরদর্শন যন্ত্রে আইপিএল দেখা গেলেও এটা দেখা যায়না। কেন? অনেক কেনর যে জবাব নেই এই দুনিয়ায়! আইপিএল ভারতের টুর্নামেন্ট। ভারতীয় মানুষই এটাকে এখন ইন্ডিয়ান পয়সা লীগ বলে আড়ালে! দেখান আইপিএল, তাতে সমস্যা নেই- সাকিব, ফিজ খেলে,

বাংলার ক্রিকেটের সুপারম্যান-২

শোন শোন বোলারগণ, শোন শোন দিয়া মন, আমি এসেছি চার ছক্কা হাঁকাতে। ব্যাটসম্যানদের বলছি হাই, সাবধানে থেকো তাই, ঘূর্ণি জাদু আছে আমার বলেতে। আমি সোজা পথে চলি, খুলে মনের কথা বলি, তবে চ্যালেঞ্জ দিলে করবো কিস্তিমাত। মাগুরার পোলা, ভেরি ভেরি স্মার্ট! মার কাটারি ব্যাটিঙেতে পোলা নাম্বার ওয়ান, ঘূর্ণির মায়ায় উইকেট শিকারে পোলা চ্যাম্পিয়ন। আমায় হিরো বলে লোকে, থাকি দিব্যি হাসিমুখে, পারফরম্যান্সেই

বাংলার ক্রিকেটের সুপারম্যান-১

মনে করো যেন বিদেশ ঘুরে, লাল সবুজের জয়গান গাই, ব্যাট-বলের সুরে সুরে তিনি বিশ্বে বাংলার ক্রিকেট কে এনে দিয়েছেন সব থেকে বেশি পরিচিতি। বাংলার ক্রিকেটের বিশ্বদূত বলা যায় তাকে। তার প্রভাব বোঝা যায় দেশের বাইরে গেলে। আল্লাহর রহমতে সে সৌভাগ্য আমার হয়েছে বলেই বলতে পারি, নোবেলজয়ী অধ্যাপক ইউনুসের থেকে তার জনপ্রিয়তা কোন

লঙ্কা-বিজয় কাব্য

চোখ থেকে মুছে ফেল অশ্রু টুকু, এমন খুশির দিনে কাঁদতে নেই। সব কটা জানালা, খুলে দাও না! আমি গাইবো, গাইবো, লঙ্কা-বিজয়ের গান, শততম টেস্টে, বাঘেদের জয়ে, আনন্দে ভরে গেছে প্রাণ! কি খেলাটাই না দেখাল বাংলাদেশ! তরুণ সাব্বিরের ব্যাটে ঠিকরে বের হচ্ছিলো আত্মবিশ্বাস! তামিমের ব্যাটে সতর্কতা আর আগ্রাসনের কি দারুণ মিশেল! শততম টেস্টে শতক হাঁকানো যখন