এক গালিনহোর ইতিহাস : জিকো

এক গালিনহোর ইতিহাস : জিকো

ZICO, হিস্টোরি অফ GALINHO তার আসল নাম Arthur Antunes Coimbra , কিন্তু সকলের কাছে পরিচিত ZICO নামে; পেলের পর গত শতাব্দীর সব থেকে জনপ্রিয় ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় জিকোর জন্ম হয় ব্রাজিলের রিও দে জানেইরো তে ১৯৫৩ সালের ৩ মার্চে। ১ বোন ও ৫ ভাইয়ের মধ্যে তিনিই ছিলেন সবার ছোট। বাবার কোচিং নিয়ন্ত্রণে

জাঁ ফতেঁ : ফরাসি রেকর্ডের বরপুত্র

জাঁ ফতেঁ

ফ্রান্স শুধু বিশ্বকাপের জন্মই দেয়নি (ফুটবল বিশ্বকাপের প্রতিষ্ঠাতা জুলে রিমে ফ্রেঞ্চ নাগরিক) সেই সাথে তাদের রয়েছে এমনও কিছু রেকর্ড যা পৃথিবীর কারো পক্ষে সম্ভব নয় অতিক্রম করা অথবা প্রায় অসম্ভব বললেই চলে। প্রথম রেকর্ড যেটি কারো পক্ষেই অতিক্রম করা সম্ভব নয় সেটি হচ্ছে বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা হচ্ছেন লুসিয়েঁ লরাঁ, একজন

বিশ্বজয়ী ফ্রান্স : এবং আরেকটি তারার সংযোজন

বিশ্বজয়ী ফ্রান্স : এবং আরেকটি তারার সংযোজন

রেফারীর শেষ বাঁশির অপেক্ষায় তখন সবাই। ফ্রান্সের বেঞ্চ প্লেয়ারদের কেউ আর তখন বেঞ্চে বসে নেই, মাঠে দৌড় দিতে প্রস্তুত। এবং এরপর সেই বহুল প্রতীক্ষিত মুহূর্ত। ২০ বছর পর আবার বিশ্বকাপ জিতলো ফ্রান্স। মাঠে স্ট্রাইকার অলিভিয়ের জিরুর এদিক ওদিক দৌড়াদৌড়ি, অধিনায়ক ও গোলরক্ষক হুগো লরিসের হাঁটু গেড়ে বসা, কিলিয়ান এমবাপ্পের গিয়ে

বিশ্বকাপে ডেভিড ডা হেয়া এর ‘জঘন্য’ পারফরম্যান্স ও আমার কিছু কথা

বিশ্বকাপে ডেভিড ডা হেয়া এর 'জঘন্য' পারফরম্যান্স ও আমার কিছু কথা

::: আবু হেনা তসলিম অর্পন ::: সবার মত আমিও মনে করি যে এই বারের বিশ্বকাপে স্পেইনের গোলরক্ষক ডেভিড ডা হেয়ার পারফরম্যান্সটা 'বিলো স্ট্যান্ডার্ড' বা প্রত্যাশার তুলনায় বেশ নিচুতে ছিল। তবে যদি আপনার হাতে কিছু বকবক শোনার সময় থাকে তাহলে শুনুন, আর যদি 'এভারেজ' একটা গোলকিপারকে নিয়ে বকবক শোনা সময় নষ্ট মনে

১৯৭৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অজানা কলঙ্ক : ক্রুইফ না খেলার নেপথ্যে

১৯৭৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অজানা কলঙ্ক : ক্রুইফ না খেলার নেপথ্যে

‘'ফুটবল এক ধরনের আর্ট। ফুটবল স্কুলগুলো ডাচ আর্টিস্টদের সম্মিলিত শিল্পকর্ম'’— ডাচ কোচেস অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবসাইটে লেখা রয়েছে কথাটি। একটা তুলনাও টানা হয়েছে, ‘আমাদের কোচরা আধুনিক যুগের রেঁমব্রান্ট।’   বেশ অদ্ভুতুড়ে তুলনা। তাই না? ১৭ শতকে ডাচদের একটা সোনালি যুগ ছিল। রেঁমব্রান্ট তখন ডাচ ইতিহাসে তো বটেই, গোটা ইউরোপীয় চিত্রশিল্পেরই রাজপুত্তুর। কিন্তু চিত্রশিল্পের সঙ্গে

বিশ্বকাপ ফুটবলের সেরা একাদশ : গোল্লাছুটের চোখে

বিশ্বকাপ ফুটবলের সেরা একাদশ : গোল্লাছুটের চোখে

শেষ হয়ে গেল বিশ্বকাপ। সুদীর্ঘ এক মাস ধরে হওয়া ৩২টা দলের ফুটবলীয় যুদ্ধের শেষ হাসিটা হাসলো ফরাসিরাই। ২০ বছর পরে দ্বিতীয় শিরোপা জিতেছে তারা। ওদিকে মারিও জাগালো ও ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের পর তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে খেলোয়াড় ও কোচ উভয় ভূমিকাতেই জোড়া বিশ্বকাপ জিতলেন ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের সর্বশেষ

দুঃখিত রিয়াল মাদ্রিদ, রোনালদোর বিকল্প শুধু রোনালদোই!

দুঃখিত রিয়াল মাদ্রিদ, রোনালদোর বিকল্প শুধু রোনালদোই!

কয়েকদিন আগে একটা আর্টিকেল পড়ছিলাম। কয়েকদিন আগে বলতে মাস দেড়েক আগে হওয়া লিভারপুল বনাম রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের কটা দিন আগে হবে আরকি। আর্টিকেলটা ছিল লিভারপুলের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের আগে রিয়াল মাদ্রিদের মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছেন, সেটা নিয়ে। লিকুইড নাইট্রোজেন ট্রিটমেন্ট, চিন আপ করতে করতে বল

ফাইনালে অনুপ্রবেশকারীরা নিছক ফুটবল-ভক্ত ছিলেন না!

ফাইনালে অনুপ্রবেশকারীরা নিছক ফুটবল-ভক্ত ছিলেন না!

গতকাল বিশ্বকাপ ফাইনাল চলাকালীন সময় মাঠের মধ্যে তিনজন মেয়ে আর একজন ছেলে ঢুকে গিয়েছিল। মনে আছে তো বিষয়টা? সবাই ভেবেছিল তারা বোধহয় মডরিচ, রাকিতিচ, এমবাপ্পে কিংবা পগবাদের ভক্ত - প্রিয় তারকাকে একটিবার ছোঁয়ার জন্য যারা নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে মাঠে ঢুকে গিয়েছিল। এক মেয়ে তো কিলিয়ান এমবাপ্পের সাথে হাই ফাইভও দিয়েছিল!

সর্বসেরা ফ্রান্স, সর্বজয়ী ফ্রান্স!

শ্রেষ্ঠ ফ্রান্স, শীর্ষ ফ্রান্স, সেরা ফ্রান্স! তারুণ্যর জয়গান রাশিয়ার বিশাল বুকে, শ্রেষ্ঠত্বের শ্লোগান প্যারিসের লাস্যময়ী বুকে । এক যুগ আগের সেই বার্লিন বেদনা মুছে গেল মস্কো মঞ্চের শ্রেষ্ঠত্বে । জিদান, পিরলোদের হাহাকার মোচন এম্বাপ্পি, গ্রিজম্যানদের নব পিষ্ঠে চেপে । তবে সবচেয়ে বড় মোচন বোধহয় ঐ দেশমেরই । খলনায়ক থেকে এই মুহুর্তে

ছাঁটাই হলেন সাম্পাওলি

ছাঁটাই হলেন সাম্পাওলি

দেড় বছরও টিকলেন না সাম্পাওলি। বিশ্বকাপে ব্যর্থ হবার মাশুল গুণতে হল আর্জেন্টিনার কোচকে। আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের খবর, ছাঁটাই করা হয়েছে হোর্হে সাম্পাওলিকে। তাঁকে সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০১৭ সালের মে তে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়া সাম্পাওলির উপরে দায়িত্ব ছিল মূমুর্ষু আর্জেন্টিনাকে জাগিয়ে তোলার। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তখন আর্জেন্টিনার অবস্থা খুবই

কিলিয়ান এমবাপ্পে : ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার মূল বাধা

গত দুই বছর ধরেই বিশ্বমঞ্চে কিলিয়ান এমবাপ্পে নিজেকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন যে, ১৯ বছর স্ট্রাইকারের নাড়িনক্ষত্র সম্পর্কে নিয়মিত ফুটবল অনুসরণ করা সবারই জানা হয়ে গেছে। বাকী ছিল সেসব দর্শক যারা হয়তোবা নিয়মিত বিভিন্ন লিগের খেলা দেখেন না, কিন্তু চার বছর পর পর বিশ্বকাপ ঠিকই দেখেন আগ্রহ ভরে। এই বিশ্বকাপে এমবাপ্পে

মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে গোলকিপাররা!

মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে গোলকিপাররা!

এই বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের বেশকিছু ম্যাচ নিষ্পত্তি হয়েছে টাইব্রেকারে; ১২ গজ দূরত্ব থেকে কেউ হয়ে যাচ্ছে নায়ক, কেউ খলনায়ক! কেউ নিজের দেশকে নিয়ে গিয়েছে পরের ধাপে, কেউবা তল্পিতল্পা গুছিয়ে ফিরেছে বাড়ি! এতো দুর্দান্ত পারফর্ম করা গোলকিপারদের আমরা মনে রাখব? নাকি সব যশকীর্তন হবে স্ট্রাইকারদের। আমাদের স্বভাবই এমন! আমরা সুন্দর সুন্দর গোল