সে ত আছেই!

অথচ, পল্টি মাইরা স্পেনে গেলে আজ তার নামের পাশে দুইটা ইউরো আর বিশ্বকাপ থাকতো। 'দেশদ্রোহী' , 'বার্সেলোনার মেসি' এইসব তকমাও শুনা লাগতো না আর নিজের দেশের লোকজনের টিটকারি সহ্য করতে হইতো না। মাঝেমধ্যে মনে হয়, অতিরিক্ত দেশপ্রেম দেখাইতে গিয়াই পোলাডা ম্রা খাইলো। প্রতিটা ফাইনালে টাইনা নিয়া যাবে দলেরে, তারপরে তথাকথিত বিশ্বসেরা

মেসি কি আসলেও জাতীয় দলের পারফর্মার না!

এমন একজন ফুটবলার লিওনেল মেসি, যে দলেরই সমর্থক হোন না কেনো এই প্লেয়ারের উইথ বল মুভমেন্ট থেকে শুরু করে মাঠের বাইরের নম্র আচরণ প্রতিটা জিনিসই শুধু উপভোগ করবেন মন খুলে। এই একটা জিনিসই আমার নিজের কাছে যথেষ্ট মেসিকে বেস্ট ফুটবলার মনে করার জন্য। রাইভালরি বলতে যা বোঝায় ব্রাজিল সাপোর্টার হিসেবে তার ষোল

বড় হও!

এরপর ও অবুঝ ওয়ানাবি ফুটবল ওয়াচাররা কিছু শিখবেনা। দুইদিন পর আবার ও পেনাল্টি মিস করা নিয়ে বড় বড় বুলি ঝাড়বে অথবা বিশেষ কোন প্লেয়ার পেনাল্টিতে গোল করলে পচাবে ( জীবনে কোনদিন মাঠে খেলে দেখেছে? জীবনে কোনদিন পেনাল্টি মেরে দেখেছে? কোন ধারণা আছে হার্টবিট কেমন বেড়ে যায়? কোন ধারণা আছে কিপার/পেনাল্টি

ফুটবল এমনই বিচিত্র

স্বপ্নের অন্তিম রঙ্গমঞ্চের কারিগর তিনিই । তার হাত ধরেই হয়ত ২৮ বছরের দুঃখ ঘোঁচাতো আর্জেন্টিনা । কিন্তু জাদুকরী বাম পা টি এবার চরম বিশ্বাসঘাতকতা করে বসলো । যে বাম পদে তিনি বিশ্ব শাসন করছেন, মুগ্ধ করছেন গোটা ফুটবল অঙ্গনকে । সেই পা-ই তাকে দিলো হারানোর তীব্র যন্ত্রণা । আরতুরো ভিদালের নেওয়া প্রথম পেনাল্টি আটকে

আসলে ভাগ্যে ছিল না

দুইদিন আগে প্লেয়ারটাকে জন্মদিনের উইশ জানালাম, মনে মনে চাচ্ছিলাম জন্মদিনের সেরা গিফটটা যাতে সে পায়। কিন্তু ভাগ্য লিখে রেখেছিল অন্য কিছু। সকালে খেলা হওয়ার কারণে কোপার একটা ম্যাচও দেখি নাই, আজকেও তার ব্যতিক্রম না। ঘুম থেকে উঠে ভাবছিলাম হোম পেজ ভর্তি মেসি ও আর্জেন্টিনার শিরোপা উল্লাস দেখব, তার বদলে দেখতে

চিলি ভার্সেস কলম্বিয়াঃ প্রিভিউ

বর্তমান কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন চিলি টানা ২য় বারের মত শিরোপা জিতার উদ্দেশ্য নিয়ে আগামীকাল শিকাগোর সোলজার স্টেডিয়ামে ২য় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে কলম্বিয়ার বিপক্ষে। এই ম্যাচে ৭-০ গোলে মেক্সিকোকে ধ্বংস করা চিলি ফেভারিট। অন্যদিকে কলম্বিয়া কোয়ারটার ফাইনালে পেরুর সাথে ট্রাইব্রেকারের কষ্টসাধ্য জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। তবে চিলির জন্য এক বিশাল দুঃসংবাদ

ফুটবল পায়ে এক জাদুকর

আজি হতে শতবর্ষ পরে, কে যেন স্মার্ট টিভিতে দেখছ মেসির ভিডিও খানি, দেখে অবাক হয়ে বলছ, তুমি কেমন করে পারো হে গুণী! তিনি ফুটবল পেলেই হয়ে যান জাদুকর। তার পায়ে বল মানেই অসাধারণ কিছু মুহূর্তের প্রতীক্ষা এবং তিনি হতাশ করেন না। তার পায়ে বল মানে, মাঠটা যেন একটা সবুজ ক্যানভাস আর তিনি আপন মনে

অপেক্ষা এবার ফাইনালের!

দুটো মাত্র ম্যাচ আর। ভালোয় ভালোয় কাটলে এই দুই ম্যাচের পরেই ঘুচতে পারে কোন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার সিনিয়র ফুটবল দলের শিরোপা-খরা। পাঁচ বছরের মধ্যে টানা তৃতীয়বারের মত হাতছানি দিয়ে ডাকা কোপা আমেরিকার শিরোপা পেতে এখনো ডিঙ্গাতে হবে ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা আর চিলি/কলম্বিয়া বাধা।   ১৯৯৩ সালে ইকুয়েডরের এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে

যে প্রত্যাশার কথা আসল লোকটা জানবেন না

The challenge is, indeed, psychological. সত্যিকারার্থে কাপ টুর্নামেন্টে ফেবারিটদের জন্যে রানার আপ হওয়া আর ফার্স্ট রাউন্ডে বাদ পড়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নাই । কিন্তু ফার্স্ট রাউন্ডে বাদ পড়া একটা দলকে সাইকোলোজিকালি আবার বাছাইপর্বের জন্যে চার্জ দেওয়াটা নতুন কোচের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে । সিলেকশন ব্লান্ডার ব্রাজিলে সবসময় ছিলো । ইউরোপের টপ পারফর্মাররা

ল্যাও ঠেলা…

দুঙ্গাহ! আসো খেলি... অন্য খবরে, থিয়াগো সিলভা আর ফারমিনোর বাসায় কাচ্চি রান্না লাস্ট মিনিটে গোল দিয়ে সবচেয়ে খাস লোক এলিয়াসই চাকরি বাঁচাতে পারত। কিন্তু দুঙ্গার লাইফ তেলুগু সিনেমা। সবচেয়ে খাস লোকটাই গুঁটিবাজি করলো। ল্যাও ঠেলা... গ্লোবো থেকে নাকি বলছে, মানোরে আবার কোচ দিতে পারে। এইবার না ফুটবল খেলাটা স্রেফ ভুলে যেতে হবে। দুঙ্গার হাত থেকে বেঁচে মানোরে পাওয়া

অজুহাত তোলা বেমানান

মার্সেলো, সিলভা, লুইজ, অস্কাররা যে দলের স্কোয়াডে ডাক পায় না তাদের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়াটা খুব স্বাভাবিক। আবার রেনাতো, জিল, ইলিয়াস দ্যা গ্রেট, লুকাস লিমারা যে দলের নিয়মিত একাদশে খেলে তাদেরও বাদ পড়াটা খুব স্বাভাবিক। আবার দুংগা যে দলের কোচ তাদেরও খুব বেশিদুর যাওয়ার কথা না। অস্বাভাবিক লাগতেসে শুধু

দোষ দেবো কাকে ?

দ্যা হুল ওয়ার্ল্ড কনফেসড দ্যাট ইট ওয়াজ আ্যা হ্যান্ডবল বাট ৯০ মিনিট পর্যন্ত আমরা কি করেছি? এজ ইউজুয়াল দুংগার উপর ব্লেম হবে আজকে তারে সাইডে রাখি! আজকে স্টার্টিং এলেভেন এ গ্যাবিগোল, লিমারে নেওয়া হইসে! তারা কি করলো? ট্রু ফ্যাক্ট হলো এলিয়াস বা গিলের জন্যে ব্রাজিল গোল খায়নি আজকে,রেনেতোর গোল মিস