ক্যাপ্টেন কুকের প্রত্যাবর্তন

ঠিক এক কি দেড় বছর আগের কথা, কুক সেদিনও কেঁদেছিলেন, দুঃখে। মিচেল জনসনের এলোমেলো করে দেওয়া ঝড়ে ৫-০ তে ছাইদানির মালিকানা হারিয়েছিলেন তিনি। এর আগের সিরিজে ব্যাটে রানের বন্যা থাকলেও তখন ছিল খরা। আর ইংলিশ মিডিয়া সব দোষ পারলে তার ঘাড়েই চাপায়! এদিনও কাঁদলেন ক্যাপ্টেন কুক, তবে এ কান্না আনন্দের! অসিদের একেবারে ভেঙেচুরে দিয়ে ছাইদানির মালিকানা নিজের দেশে নিয়ে আসার। তার থেকেও বড় কথা, এক দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের কাহিনী ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় লেখা হল ক্যাপ্টেন কুকের নামে। স্যালুট বস!

কুকের কৃতিত্ব শুধু দুঃসময়কে জয় করা নয়। একাই লড়েছেন খারাপ সময়ে, এ কথা ১০০% সত্য। বিশ্বকাপে লজ্জাজনক খেলার পর দলের একতা ধরে রাখা, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, ধীরস্থিরভাবে দলের হাল ধরে রাখা- এগুলো না বললে ঐ মানুষটার প্রতি যে অন্যায় করা হবে। যখন তার খারাপ সময় গেছে, তখন তার পক্ষে কলম ধরার মতো এক জন কেও পাওয়া যায়নি। আর এখন? যেদিকে তাকাবেন, শুধু ক্যাপ্টেন কুকের বন্দনা!

সে জন্যই কবিগুরু বলেছিলেন,
” যে তোরে পাগল বলে, তারে তুই বলিস নে কিছু,
আজকে তোরে পাগল ভেবে, অঙ্গে যে তোর ধুলো দেবে,
কালকে প্রাতে মালা হাতে, আসবে সে তোর পিছু পিছু”

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

6 + 12 =