নতুন রাইটব্যাক ইন্টারে : হোয়াও ক্যানসেলো

নতুন কোচ লুসিয়ানো স্প্যালেত্তির অধীনে নিজেদের আস্তে আস্তে গুছিয়ে নিচ্ছে ইন্টার মিলান। দলে এসেছেন সেন্টারব্যাক মিলান স্ক্রিনিয়ার, দুই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার বোর্হা ভ্যালেরো আর মাতিয়াস ভেচিনো, লেফটব্যাক ডালবার্ট আর গোলরক্ষক ড্যানিয়েল পাদেল্লি। এদের সাথে এবার যোগ দিলেন স্প্যানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়ার পর্তুগিজ রাইটব্যাক হোয়াও ক্যানসেলো। বিনিময়ে ফরাসী সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার জফ্রি কনডগবিয়াকে ধারে ভ্যালেন্সিয়ায় পাঠিয়েছে ইন্টার মিলান।

গতবছর ধরেই নিজেদের রাইটব্যাক সমস্যার সমাধানকল্পে হোয়াও ক্যানসেলোকে দলে নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলো স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। কিন্তু শেষমেষ বেনফিকা থেকে আরেক পর্তুগিজ রাইটব্যাক নেলসন সেমেদোকেই বেশী মনে ধরে তাদের। তাই এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করল ইন্টার। আক্রমণাত্মক এই রাইটব্যাককে দলে নিয়ে আসার মাধ্যমে। রাইটব্যাক হলেও হোয়াও ক্যানসেলো স্বচ্ছন্দে রাইট উইঙ্গার হিসেবেও খেলতে পারেন। গ্যারি নেভিল যখন ভ্যালেন্সিয়ার কোচ ছিলেন, নিজেই বলেছিলেন হোয়াও ক্যানসেলো চাইলে বার্সেলোনা নিতে পারে, কিংবদন্তী রাইটব্যাক দানি আলভেসের বিকল্প হিসেবে। কারণ আলভেসের মত ক্যানসেলোও অনেক বেশী প্রাণশক্তিতে ভরপুর, ড্রিবলিং করতে পারেন বেশ এবং রাইটব্যাক হিসেবে অনেক বেশী গতিশীল, তাই চাইলে তাঁকে রাইট উইংব্যাক হিসেবেও খেলানো যেতে পারে, গ্যারি নেভিল যেমন প্রায়ই ক্যানসেলোকে রাইট উইঙ্গার হিসেবে খেলাতেন। ক্রসিংয়ে তিনি এতটাই ভালো যে ভ্যালেন্সিয়ায় নিয়মিত কর্নার নিতে দেওয়া হত তাঁকে। রাইটব্যাক পজিশান থেকে নিয়মিত সামনে থ্রু বল দেওয়ার ক্ষমতাও তাঁকে করে তুলেছেন অনন্য। আরেকটা বিশাল গুণ হল তিনি চাইলেই লেফটব্যাক হিসেবেও খেলতে পারেন। তবে কখন আক্রমণের জন্য উপরে উঠে যেতে হবে সেটা প্রায়ই বুঝতে ভুল করেন তিনি, যেটা তাঁর একটা দুর্বল দিক, ফলে প্রায়ই অযাচিত ফাউল করতে দেখা যায় তাঁকে। এখন স্প্যালেত্তির অধীনে নিজের এসব দুর্বলতাকে কিভাবে কাটিয়ে উঠে নিজেকে অন্যতম সেরা এক রাইটব্যাক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন ক্যানসেলো, দেখা যাক!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

one × two =