বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধবে কে ???

নিকট অতীতে ব্রাজিল এক আধটু ভালো ম্যান মার্কিং আর ডিফেন্ডিং যা দেখেছে এই সিলভা-লুইজ ডুয়োর কল্যাণে । কিন্তু সত্যি কথা বলতে পিছে থিয়াগো সিলভার মত লিডার না থাকলে ডেভিড লুইজ মার্কার এবং ডিফেন্ডার হিসাবে জোকার টাইপের । সবসময় অতিরিক্ত কিছু করার চেষ্টা করে !
বাছাইপর্বে উরুগুয়ের সাথে ম্যাচে কাভানি-সুয়ারেজ গোল করলো আয়েশে । কোন এক্সট্রা ইফোর্ট ছাড়া । হাইতির আজকের গোলটাতেও দেখা গেলো ফেলিপে লুইস ফাঁকায় দাঁড়ানো …
জিল আর মিরান্ডা (কোচের ফার্স্ট টীমের ব্যাকলাইন) ভয়াবহ রকমের স্লো । টপ ড্রয়ারের স্ট্রাইকারদের দমবন্ধ করে রাখা তো দূরের কথা, রুটিন স্পেস না দেওয়ার কাজটাই এদের দিয়ে হয় না । ক্যাসেমিরো থাকাতে তারপরেও ইকুয়েডরের সাথে ম্যাচটাতে পয়েন্ট নিয়ে ফেরা গেছে ।
ট্যাকটিক্স মিডফিল্ড এগুলো নিয়ে ভাবার আগে অন্তত পক্ষে ডি মারিয়া বা থমাস মুলারদের আয়েশে গোল করা থেকে ঠেকাতে পারে এমন একটা ব্যাকলাইন নিশ্চিত করা দরকার সবার আগে । তা না হলে হাইতি-জাম্বিয়ার সাথে বল হারিয়ে রিকভার করে অনেক অনেক গোল দিয়ে জেতা গেলেও ইউরোপের মিডিওকোর দলের সাথে এই দৈনদশার ম্যান মার্কিং দিয়ে ভাগ্য ভালো থাকলে ড্র নিয়ে ফেরা যাবে না ।
বিশ্বকাপে সাবেলার আর্জেন্টিনা আর গত কয়েক বছরে সিমিওনের এটলেটিকো কিন্তু খুব বেশি কিছু শিখে নাই বা করে নাই । স্রেফ নিজেদের সীমিত সম্পদ দিয়ে রুটিন ডিফেন্সের কাজগুলো ভালোমতো করে গেছে ।
কারণ ডিফেন্স হচ্ছে এমন একটা ডিসিপ্লিনারি জায়গা যেখানে আপনি পরিশ্রম করে ফাইন টিউন করতে পারেন সীমিত সম্পদে । অনেক অনেক সুন্দর খেলে গোল করে দেখানো বা সত্তরের ব্রাজিলের মত কালজয়ী কিছু একটা করে দেখাতে গেলে এক জেনারেশন গিফটেড প্লেয়ার লাগে । কিন্তু ব্যাকলাইনের উন্নতিটা নিজের লিমিটে থেকেই করা যায় ।
২০১০ বিশ্বকাপের অমন একটা স্পেইন দল বা ২০০২ এর আগে পরে আমাদের যে দলটা খেলেছে ঐরকম একটা স্কোয়াড দাঁড় হয় ভাগ্যগুণে । অনেক জিনিয়াসকে একসাথে পেয়ে গেলে তারপরে ! তবে ব্যাকলাইনে ডিসিপ্লিনড দল কিন্তু প্রতি দুই বছরেই একটা একটা করে ফুটবল পেয়ে যায় । সেটা নিখাদ পরিশ্রমের জোরে …

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

15 + 13 =