দুই ম্যাচ যেন মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ

উল্লাসে আজ মাতল যে দেশ, নাচে গ্যালারী
দেখুক সারা দুনিয়াটা, আমরাও পারি!

স্লোগান হিসাবে শুনতে খুব ভালো শোনায়। তা আমরা দেখাচ্ছিও বটে! বিপিএল এক বছরের ফিক্সিং কলঙ্কের নির্বাসন শেষে ফিরে এলো আবার। তা প্রথম ম্যাচে দর্শকের পয়সা উসুলের মতো অবস্থা হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে রসমালাইয়ের দেশের দলের ব্যাটসম্যানরা এসেই তেড়েফুঁড়ে মারতে গেলেন, আর নিজেদের আবিষ্কার করলেন সাজঘরে! ১১১ রানের লক্ষেও ঢাকা যখন শেষ ওভারে জেতে, তখন যদি কেউ তাদের ব্যাটিং দেখে সুখনিদ্রা সেরে নেন, তাকে কি দোষ দেওয়া যাবে?
চাটগাইয়া পোলা আর অংপুরের বাহেদের ম্যাচটি ছিল আদর্শ কুড়ি বিশের উৎসবের বিজ্ঞাপন। আর পরেরটা, ঘুম পাড়ানি বিরক্তিকর ক্রিকেটের! তামিম ইকবাল ফর্মে ফিরলেন। তার দল ১৮০ এরও বেশি স্কোর করেও হেরে গেলো আসলে মিসবাহ আর পেরেরার ব্যাটের কাছে। মিসবাহ এর দুর্দান্ত ব্যাটিঙের পরিচয় পেয়েছিলাম ২০০৭ এর প্রথম টি ২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে, সেখানে তীরে এসে তরী ডুবেছিল, এবার তীরে ভিড়ল পেরেরা নামের মাঝির কারনে। ২০১৪ সালে এই মিরপুরের মাঠে ৬৭/৮ থেকে শ্রীলঙ্কাকে ১৮০ রানের পুঁজি এনে দিয়েছিলেন দমাদম মাস্তকালান্দার ব্যাটিঙে, সেদিন তার শট গুলো বাংলার ক্রিকেট ভক্তের বুকে শেল হয়ে বিঁধলেও কালকে তারা তা উপভোগই করলেন। শেষ বলে বাহেদের শুভ সূচনা!
এর মধ্যেও নজর কাড়লেন দুই বাঁহাতি গতিবাজ, বাংলার বিস্ময়বালক মুস্তাফিজ আর পাকি আমির। যদিও আমিরকে নিয়ে ভয়টা থেকেই যায়- তবে ন্যাড়া কয়বার বেলতলায় যাবে, সেটাই দেখার বিষয়।
বাংলাদেশের টি ২০ দলে পেরেরার মতো দমাদম মাস্তকালান্দার স্টাইলে ব্যাটিং করতে পারে শেষের দিকে আর একটু বোলিং ও করবে, এমন একজনকে বড়ই প্রয়োজন। আমার বাজি জিয়াউর রহমানের উপর। দেখা যাক!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nineteen − 17 =