এবার পুরোনো হিসেব চোকানোর পালা !

২০১২ এশিয়া কাপ, ২০১৪ এশিয়া কাপ, দুই দেশের বোর্ডের মধ্যে সম্পর্কের ক্রমাগত বাড়তে থাকা টানাপোড়েন, বিশ্বকাপে দারুন পারফরম্যান্সের পরে বাঘেদের প্রথমবারের মত নিজ ডেরায় দেখার সুযোগ পাওয়া, আফ্রিদি আর মিসবাহর অবসরের পরের পাকিস্তান – অনেক কারণেই বাংলাদেশ-পাকিস্তানের কাল থেকে শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজ আর ৫টা হোম সিরিজের মত না । অনেক বড় সিরিজ… অনেক প্রত্যাশার সিরিজ । ২০১১ সালের পরে এই প্রথম পাকিস্তান আর বাংলাদেশ খেলছে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ।

কষ্ট ঘোচে নি ২০১৪তেও
কষ্ট ঘোচে নি ২০১৪তেও

একদম জটিল পরিসংখ্যানের হিসাব নিকাশে না গিয়ে সোজা কিছু কথা বলবো । প্রস্তুতি ম্যাচে ক্লিক না করলেও ওয়াহাব রিয়াজ আর জুনায়েদের পাকি পেইস এটাক বিশ্বমানের । সাথে আছে একশন বদলে ফেরার পরে সাঈদ আজমলকে দেখার আগ্রহ । ইয়াসির শাহর ইনজুরি পাকিস্তানকে পিছিয়ে দেবে একটু । সাথে আছে ঐতিহ্যগতভাবে বাজে ফিল্ডিং । ব্যাটিং অর্ডারের বড় ব্লো শোহেব মকসুদকে না পাওয়া । পিটিয়ে ম্যাচ বের করার মত ব্যাটার এই পাকিস্তানের নাই । তবে হারিস সোহেল , ফাওয়াদ আলম আর আজহার আলীকে কোনভাবে সেট হতে দিলে তার চওড়া মূল্য দিতে হবে বাংলাদেশকে ।

বাংলাদেশের দিক থেকে বড় চিন্তার নাম ওপেনিং । তামিমের অফফর্ম তো আছেই , সাথে সাথে বড্ড হাহাকার একটা স্ট্যাবল ওপেনিং স্ট্যান্ডের জন্যে । রনি তালুকদারের ডেব্যু হচ্ছে সবকিছু ঠিক থাকলে । আগের চেয়ে এই দলে ম্যাচ উইনার বেশি । সৌম্য-রিয়াদ-সাকিব-মুশি-সাব্বির-নাসির … ফিয়ারফ্যাক্টর বিবেচনা করলে পাকিস্তানের চাইতে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার এগিয়ে থাকবে । মাশরাফি না থাকায় সাকিবের হাতে দল । ফার্স্ট স্পেলে ব্রেকথ্রু এনে দেওয়া ম্যাশকে মিস করবে । বেশি মিস করবে ।

দ্যা লীডার- থাকছেন না প্রথম ম্যাচে
দ্যা লীডার- থাকছেন না প্রথম ম্যাচে

জিতবো কিনা ? বলছি না , এবার না হলে আর কোনোবার নয় ! তবে বলতেই হবে , এবার না হলে পরেরবার এর চেয়ে ভালো সুযোগ পাওয়া যাবে কিনা তা বলা মুশকিল !

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

3 + 7 =