দোষ দেবো কাকে ?

দ্যা হুল ওয়ার্ল্ড কনফেসড দ্যাট ইট ওয়াজ আ্যা হ্যান্ডবল বাট ৯০ মিনিট পর্যন্ত আমরা কি করেছি? এজ ইউজুয়াল দুংগার উপর ব্লেম হবে আজকে তারে সাইডে রাখি! আজকে স্টার্টিং এলেভেন এ গ্যাবিগোল, লিমারে নেওয়া হইসে! তারা কি করলো? ট্রু ফ্যাক্ট হলো এলিয়াস বা গিলের জন্যে ব্রাজিল গোল খায়নি আজকে,রেনেতোর গোল মিস বা পেনাল্টি মিসের জন্যে বাদ যায়নি। ফিলিপ লুইসের বল থ্রো কেনো ওদের কাছে যাবে! সাথে বল রিকভার কেনো করতে পারলোনা? আমাদের ট্রাস্টেড প্লেয়ার, ফিউচার স্টাররা কি করলো পজিটিভ রেসাল্ট দিতে পারলোনা কেন? হাজারো প্রশ্ন সবগুলো সাইডে রাখি। একটা টিমের সফল হওয়ার জন্যে সবচেয়ে বড় থিংগস হচ্ছে ” লং লাস্টিং কোচিং প্যানেল ” এবং “টিম কম্বিনেশন ” দ্যাট মিনস টিম ইউনিটি এবং টিমের স্থিতিশীলতা। স্কোলারি একটা টিমই সিলেক্ট করে কনফা জিতে সোজা ওয়ার্ল্ড কাপের সেমিতে। চিলির মার্সেলো আর তার শিষ্য সাম্পাওলি মিলে ৯ বছর ( মাঝখানে বর্গি ১ বছর ছিলো) ধরে টিমটারে ল্যাটিন আ্যামেরিকার জায়ান্ট বানাইসে! ইভেন কোপার ১০০ বছরের ইতিহাসে তাদের ফুটবল ইতিহাসে তারা গতবার প্রথম কোপা জিতে।চিলি এখন হুল ওয়ার্ল্ডের আতংক। কলম্বিয়ার আর্জেন্টাইন হোসে পেকারম্যান গত ৪ বছরে এই টিমটারে রেংকিয়ে এ তাদের ইতিহাসের বেস্ট ৩ এ আনলো, অথচ এর আগে ইউএএল ক্লাব থেকে বাদ পড়ছে ও ব্যার্থ হওয়ার জন্যে! তার কোচ হওয়ার কথা ছিলো জাপান অথবা অস্ট্রেলিয়ার! ১২ তে কোচ হওয়ার পর ১৩ তে তার স্কোয়াড চুজ নিয়ে ট্যাকনেক্যালি উইক বলে চরম ক্রিটিসাইজড করা হয়! বাদ পড়ে যাবে এমন! অথচ এখন? লেস্টার সিটি টিম কম্বিনেশন আর ইউনিটির জন্যে সোজা ইপিএল চ্যাম্পিয়ন। বায়ার্ন, পিএসজি, সিটি, ইউনাইটেড, চেলসিরে বিট করে এতলেটিকো বারবার চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনালে ক্যামনে যায়? সিমিওনে। দলটারে অনেকদিন ধরে চিনসে, টিম স্প্রিট ক্রিয়েট করতে পেরেছে তার পিলোসফী প্রপার ওয়েতে ইউজ করতে পেরেছে। স্পেন টানা ২ টা ইউরো আর ১ টি বিশ্বকাপ কারে দিয়ে জিতলো? একজনরে দিয়েইতো? ০৬,১০ পরপর ২টা বিশ্বকাপে ব্যার্থ হয়ে ১৪ বিশ্বকাপে আইসা ব্লোসম হইলো জোয়াকিম লো। চিন্তা করা যায় কতটা প্যাশেইন্ট তাদের ফেডারেশন! একজনের তিকিতাকা আরেকজনের অল ওভার এটাকের পিলোসফীর উপর তাদের ফেডারেশনের সম্পুর্ন বিলিভ ছিলো ইভেন তাদেরকে সবধরনের হেল্প করেছে! আর্জেন্টিনা ইতিহাসের সেরা ৩ এর একটা টিম দিয়াও বারবার ব্যার্থ হচ্ছে কেনো? লং লাস্টিং মাস্টারক্লাস প্ল্যানিংয়ের ল্যাকনেস। বারবার কোচ পরিবর্তন। ইভেন দুংগার এবারের ডেব্যু হওয়ার পর টানা ১১ ম্যাচের সফল হওয়ার পিছনের কজ ছিলো টিম কম্বিনেশন। কনফা জয়, বিশ্বকাপের সেমি, টানা ১১ ম্যাচ জিতা কোনটায় প্রমাণ করেনা যে এটা আমাদের জেনারেশনের ফ্লুক! এটা আমাদের ফ্যানদের দোষ, দোষ আমাদের ফেডারেশনের। দোষ আমাদের ধৈর্যের। এর থেকে ওভারকামের প্রপার ওয়ে আছে কোন? অবশ্যই আছে। প্ল্যানিং করতে হবে লং টাইম বেস! বারবার কোচ পরিবর্তনে তার অপছন্দের রেয়ার ট্যালেন্টরা নষ্ট হয়ে যাবে তা হতে দেওয়া যাবেনা। কোচকে হুল কান্ট্রির ফুটবলের ভার দিতে হবে! ন্যাশনাল টিমের কোচের পিলোসফী বেস ফুটবলাররা উপরে উঠে আসবে! ব্যার্থ হতে হতে দেয়ালে পিঠ লেগে যাক তাও পিছু হঠা যাবেনা। ধৈর্য থাকতে হবে পাহাড় সম। তার উপর আস্হা রাখতে হবে শতভাগ! লিবার্টি থাকবে এজ আ্যা বার্ড। তবে এই গুরুদায়িত্ব দিতে হবে জাগালো – স্কোলারি টাইপের কাউকে! দুংগার মত ইউরোপিয়ান বেস কাউকে দিলে খেলোয়াড়দের হিস্ট্রি দিয়ে ব্রেইন ওয়াশ করা যাবেনা, কনফিডেন্স লেভেল লো থাকবে আফটার অল ব্রাজিলের সাথে ব্রাজিলের প্লেয়ারদের ব্লাডের সাথে ডায়ামন্ড ট্যাকটিকস ছাড়া ইউরোপিয়ান স্টাইলে সাকসেস হওয়া রেয়ার পসিবল। ব্রাজিলিয়ানরা তো সুন্দর ফুটবলেরই পূজারী…. সর্বশেষ এক্সপেরিমেন্ট নেওয়ার কোপা থেকে এক্সপেরিমেন্ট নেওয়া কিছুটা ডান। এই কাপ জিততে আসি নাই ইভেন ব্রাজিল টিমটাও আসেনাই। ভাগ্যদোষ হোক আর একঘুঁয়েমী হোক দুংগা কখনোই এই জেনারেশনের বেস্ট এলেভেন পায়নাই জাগালো টাইপের কোন কোচ বেস্ট এলেভেন পেলে বর্তমানের চরম কম্পিটিশনের ফুটবল জগতে টপ জায়ান্ট হওয়া ভালোভাবেই পসিবল।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

fourteen + 5 =