বিটকেলে বিপিএল

বিপিএলের এক প্যাঁনা প্রতিবার ভালো লাগে না।

হাজারটা হাইপ বানায়, নতুন টিম বানায়, হ্যান প্রযুক্তি, ত্যান প্রযুক্তি। কাজের বেলায় মাঠে একদম স্রেফ ব-আকার-ল। থার্ড ক্লাস কমেন্ট্রি আর নিম্নমানের ব্রডকাস্টিং।

এই তো গেলো দর্শনদারি, চলেন কেমন গুণবিচারী সেটাও চিন্তা করি। সারা দুনিয়ে টোয়েন্টিতে ১৮০ আর ওয়ানডেতে ৩৩০ রানের দিকে দৌঁড়াচ্ছে। গ্লোবাল টুর্নামেন্টও সেইম টাইপের রানপ্রসবা উইকেটে খেলা হয়। আর আমরা শালা বেকুব ভোদাইয়ের দল ১২০/১৩০ এর উইকেটে আমাদের মেইন টিটোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলাই। আপনি উইকেট দিয়ে হিটিংকে উৎসাহিত না করলে কোন বা*ও পাবেন না। নরমাল স্পিনারকে দেখতে রশিদ খান মনে হয় এই স্লো উইকেটে। ফলশ্রুতিতে গ্লোবাল টুর্নামেন্টে ধাক্কা খাচ্ছেন দুই টাইপের। প্রথমত, আপনার স্পিনফোর্স মারের মোকাবেলা না করেই মার খেতে হবে এমন গ্লোবাল স্টেজে যাচ্ছে। আর দ্বিতীয়ত, আপনার ব্যাটিং ফোর্স মারার অভ্যাস ছাড়াই মারতেই হবে এমন গ্লোবাল স্টেজে যাচ্ছে।

ভারত বা অস্ট্রেলিয়া এই ধরনের লো স্লো উইকেটে টিটোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলাইলে হার্দিক পান্ডিয়া, হৃষভ পন্ত বা ক্রিস লিনদের কোনভাবেই পেত না। ঘুরেফিরে ১২০/১৩০ এর উইকেটে ওদেরও শুভাগত হোম নামের কোন স্টার আসত।

টিটোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আদৌ করতে চাইলে ফ্রুটফুল দুইটা হিটার বা দুইটা পেসার অলরাউন্ডার আসে, এমন উইকেট দিয়ে তারপরে করেন। তা না হলে নিজের দেশে আফগানিস্তান বা জিম্বাবুয়েকে ডেকে খেলেন। সিজনের পর সিজন এই বিটকেলে ব্যাপারস্যাপার দেখতে বিরক্ত লাগে ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

six + seven =