জয়টা বিশাল, তবে অভাবনীয় নয়

ম্যাচে একটা জাদুকরী জিনিস যেমন একটা সেঞ্চুরি বা ২০০ রানের পার্টনারশিপ বা একটা বোলিং স্পেল হলে টেস্টে ভালো খেলা শুরু হয়। ম্যাচ চারদিন বা পাঁচদিনে যাওয়া শুরু করে।এমন জিনিস কয়েকবার ভালোভাবে একই টেস্টে ঘটলে আপনি ম্যাচ জেতা শুরু করতে পারবেন। একই ম্যাচে সাকিবের হান্ড্রেড ঘটেছে, মুস্তাফিজের একটা স্পেল ঘটেছে, মোসাদ্দেক নামের এক ডেব্যুট্যান্টের স্বপ্নের ডেব্যু হয়েছে , বাংলাদেশের ইতিহাসসেরা ফোর্থ ইনিংসের ব্যক্তিগত ইনিংস এসেছে তামিমের কাছ থেকে। যার ফলশ্রুতিতে জয়টা ঘটলো। একটা দুটো পারফরম্যান্সে টেস্ট বদলায়। তবে রোজ রোজ না! ৫ দিনের টেস্ট জিততে হলে অনেক কন্ট্রিবিউশন দরকার। কারণ টার্নিং উইকেটের ৩ দিনে শেষ হয়ে যাওয়া ম্যাচের চাইতে ৫ম দিনের বিকেল পর্যন্ত যাওয়া এই ম্যাচগুলো অনেক বেশি মাত্রায় ক্যালকুলেটিভ।
জয়টা বিশাল, তবে অভাবনীয় নয়। মুশফিক-সাকিব-তামিম ট্রায়োর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে কমবেশি ১০ বছরের মত হতে চললো। বয়সটা আটাশ/ঊনত্রিশের দিকে। বেশিরভাগ ক্রিকেটারদের এই সময়টা ম্যাচুরিটি আর পারফরম্যান্সের দিক দিয়ে ক্যারিয়ারের সেরা সময় যায়। এর সাথে এই তিনজনই নিজেদের ক্যারিয়ারের উত্থান আর পতন খুব কাছ থেকে দেখেছেন। এই বয়সটায় ম্যাচের রেজাল্ট বের করে আনার ফ্যাক্টরটা দিনকে দিন বাড়তে থাকে। সেই সেরা সময়টা কি তবে আসতে শুরু করলো?

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

11 + eighteen =