গোল্লায় যাচ্ছে হকি

গোল্লায় নিয়ে যাচ্ছে হকিকে খাজা বাবার গাড়ি,
গোল্লা হল তীর্থস্থান, অশেষ উপকারী।

ছোট কোন বাচ্চা যদি কোনদিন প্রশ্ন করে, বেহায়া মানে কি? তাহলে দয়া করে হকি ফেডারেশনের কীর্তিমান সভাপতি খাজা বাবা, মানে খাজা রহমতুল্লাহ এর ছবিটা দেখিয়ে দেবেন। একটা মানুষের একগুঁয়েমির কারনে একটা জনপ্রিয় খেলা কিভাবে তিল তিল করে শেষ হয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে তা দেখতে হলে আমাদের হকিকে দেখুন। দুই বছর ধরে লীগ নেই, দলবদল নেই, টাকা নেই। তাহলে খেলোয়াড়রা খাবে কি? হাওয়া খেয়ে তো আর মানুষ বাঁচেনা। তাই তারা এখন বিদ্রোহ করলে আর তাদের দোষ দেই না, তাদের পিঠ ঠেকে গেছে দেয়ালে। আর যাকে নিয়ে এত কিছু, সেই খাজাবাবা দিয়েছেন কানে তুলো।

অথচ বিশ্ব হকি লীগে নজরকাড়া খেল দেখিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলো লাল সবুজের ছেলেরা। সেখান থেকে উপরে ওঠার বদলে আমরা অধঃপাতে যাচ্ছি। দুই বছর ধরে নেই লীগ, কেন? অধিকাংশ ক্লাব খাজা বাবাকে অবৈধ ঘোষণা করে তার অধীনে খেলবে না বলে জানিয়েছে। এক দুই জন বললে কিছু আসে যায় না, কিন্তু পরিবারের ১০ জনের মধ্যে ৮ জনই যদি এক কথা বলে, তবে বুঝতে হবে ডাল মে কুছ কালা হ্যাঁয়।

আসলে খাজার বেহায়াপনা দেখে আরেক খাজার কথা মনে হয়, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন যখন দেশ স্বাধীন হয়নি, খাজা নাজিম উদ্দিন। দুঃশাসনে মানুষকে অতিষ্ঠ করে দিয়েও তিনি পদত্যাগ করেননি। বেহায়ার মতো চেয়ার আঁকড়ে ছিলেন। ঠিক একই কাজ করছেন হকির খাজাবাবা। ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খানের উদ্যোগ গেছে ভেস্তে। তাই এই মুহূর্তে হকির ভাগ্যাকাশে শুধুই অন্ধকার, আলোর দিশা নেই!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

four × five =