এ কি আম্পায়ার নাকি ঢ্যামনা বেশ্যার দালাল ?

সারাটা জীবন আমাদের ছেলেদের খেলা টিভিতে দেখছি আর অবাক হইছি এত চাপ নিয়ে মাঠে কীভাবে খেলে ? আর আজকে অবাক হইলাম অন্য জিনিস দেখে । এত বাজে আম্পায়ারিং এর পরেও ছেলেগুলা কীভাবে মাথা ঠান্ডা করে দেশের মান সম্মানের জন্যে খেলে গেলো পুরোটা ম্যাচ ? বিশ্বাস করেন আর নাই করেন আমি পারতাম না ভায়ে ! একদমই পারতাম না ! লাইট জ্বলা স্ট্যাম্পগুলি উঠাইয়া দুইটার মাথায় জাস্ট দুইটা মারতাম … মাইরের মত মাইর একটাই কাফি । একদম স্পটডেড !

ম্যাচ নিয়ে কথা বলার মত অবস্থা আজকে একেবারেই নাই । ম্যাচ নিয়ে কথা বলার থাকে , যেদিন আমাদের ছেলেদের ইম্প্রুভমেন্টের জায়গা থাকে । আমাদের ছেলেদের কথাটা একবার ভাবেন ! অত বড় মাঠ । সেখানে দর্শকদের বেশিরভাগই অসভ্য ভারতীয় । যারা স্বভাবে চরিত্রে মানুষের সাথে মেলে খুব কমই । এর পরে আপনি জানপ্রাণ লাগিয়ে বোলিং-ফিল্ডিং করে যাচ্ছেন … তারপরেও আপনার প্রগ্রেস নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কতগুলি টাকায় কেনা আম্পায়ার আর থার্ড আম্পায়ারের জন্যে ।

গ্যালারি ভর্তি বেশিরভাগ কুকুরপাল …
সাথে ১১ টা মানুষের পিছে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে মাঠে আরো দুটো টাকা খাওয়া কুকুর …

ভিভিএস লাক্সম্যানের মত ভারতীয় কিংবদন্তীও যেখানে টুইট করে ডিসিশনটা ভুল ছিলো … সেখানে আর আমাদের এটার ব্যাখ্যা দেওয়ার আদৌ দরকার আছে বলে ষোল কোটি ভদ্র বাংলাদেশি মনে করে না । আর আউটটাও কার ? রোহিত শর্মার … ঐ লাইফটা পেয়েই না অত বড় ইনিংস । অমন দুবার ব্যাট করতে দিলে আমাদের সাকিব-মুশফিক দেড়শ কেনো… চারশোও করে ফেলতে পারে ।

এরপরে পা গলে দু একটা বল বেরিয়ে গেলে ছেলেদের দোষ দিবো কীভাবে ? দুই একটা বল শর্টপিচ বা ফুলটস পড়ে গেলে ছেলেদেরই বা দোষ দেই কি করে ? তাদের মানসিকতা … তাদের মনের অবস্থা … ভালো কিছু করবার প্রচেষ্টায় কেউ জল ঢেলে দিলে কেমন লাগে তা একটাবার ভাবুন …

আর ব্যাটিং এ নামার পরে দলের সবচাইতে ইনফর্ম মাহমুদুল্লাহর উইকেট … আমি বলছি না যে ওটা আউট ছিলো না , কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় খেলা এত আপডেটেড প্রযুক্তি । ওটা একবার দেখেই আউট দিয়ে দেবার বল ছিলো ? পিছের কোণা থেকে পা-টা আসলে কোথায় ছিলো তা তো দেখাই হলো না । দেখলে যদি আবার গোঁমর ফাঁস হয়ে যায় ? রোহিত শর্মার আউটের মতো ? তখন কি হবে ?

বেশ্যার দালাল তার সবচাইতে পুরোনো আর বিশ্বস্ত বেশ্যাটাকেও খদ্দের এলে বলে, “একদম খাসা মাল দাদা ! ”
সেই বেশ্যার চেহারার লাবণ্য আর শরীরের রস যতোই কমে যাক না কেন ? দালাল খদ্দেরের কাছে বলে মুখস্ত কথা ।
যেসব জায়গায় চোখ দিলে ত্রুটিগুলো বেরিয়ে যেতে পারে , সেগুলোতে চোখই দেয় না দালাল । সাথে সাথে এমনভাবে কথা বলে , যাতে খদ্দেরও চোখ না দেয় । আজকের আম্পায়ারদের অবস্থাও একই ! যারা হাড্ডি দিয়েছে হাড্ডির লোভে জাস্ট চেপে গিয়েছে … ঠিক যেন দশাসই বেশ্যার দালাল … কনফিউজ করার মত কিছু এলেই তড়িঘড়ি করে চেপে গিয়েছে … স্রেফ চেপে গিয়েছে ? ভারতীয় বেশ্যাগুলোকে জাস্টিফাই করার জন্যে মাঠে ছিলো ইয়ান গোল্ড , আলীম দার আর টিভি আম্পায়ার স্টিভ ডেভিসের তিন সদস্যের দালাল প্যানেল …

খেলার আসল চিত্র
খেলার আসল চিত্র

দাদাবাবুদের ভাষাতেই বলছি … ” কী রে মাইরি ? এ কি আম্পায়ার নাকি ঢ্যামনা মাগীর দালাল ?  “

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

8 − 1 =