আশার সাথে শঙ্কাও

২০০৫ সালে এই পি সারা ওভালেই প্রথম সকালে ৪৮ রানে শ্রীলঙ্কার ৪ উইকেট নিয়েছিল বাংলাদেশ। চার ব্যাটসমানের নাম শুনবেন? সনাৎ জয়াসুরিয়া, মারভান আতাপাত্তু, কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে…

তার পর…? তার পর… আমাদের এখনকার ব্যাটিং কোচ সামারাবিরা ১৩৮, তখনও টেস্টে নড়বড়ে তিরকরত্নে দিলশান ১৬৮, চামিন্দা ভাস ৬৫…! তিন দিনেই বাংলাদেশের ইনিংস পরাজয়…

কুফা লাগাতে চাই না… অতীতটা ইতিহাসই হয়ে থাকুক…

প্রথম সেশনে যা দেখলাম, এরকম কিছুর জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। প্রথম বল থেকেই মুস্তা চার্জড আপ। শুরু থেকেই ফোকাসাড, আগের টেস্টের অমনোযোগী ও ছন্নছাড়া ভাবটা নেই। শুভাশীষও দারুণ শুরু করলো। পুরো দলের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দারুণ!

এত দ্রুত পেস সরিয়ে স্পিন আনায় ভাবলাম মুশি এটা কি করলেন! কিন্তু ফর আ চেঞ্জ, মুশি দারুণ করলেন!… যে দুটি বলে উইকেট পেলেন মিরাজ, অফ স্পিনারদের ড্রিম… ধ্রপদি অফ স্পিনের নান্দনিক প্রদর্শনী… এবং ফর অ্যানাদার চেঞ্জ, মুশির কিপিংও দারুণ হলো। এত ক্লিন পিক আপ আর চোখের পলকে বেলস উড়িয়ে দেওয়া..

এবং সেশনের পূর্ণতা দিতে লাঞ্চের আগে উইকেট… আজকের সকালটা অন্যরকম। আজকের সবই অ্ন্যরকম..

তবে আশার সঙ্গে শঙ্কাটা আমাদের সবসময়ই থাকে। ম্যাচের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা পরে ভাবব… আপাতত আরেকটা সেশন এমন থাকুক…প্রথম দিনটা ভালো কাটুক!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nineteen − one =