আড়ালে রয়ে যায় যে মাস্টারস্ট্রোক

টেস্ট ক্রিকেটে চেতেশ্বর পূজারার স্ট্রাইকরেট ৪৮ আর এভারেজ ৫০ এর কাছাকাছি। অন্যদিকে আজকে ওর পার্টনার মুরালি বিজয়ের স্ট্রাইক রেইট ৪৬ আর এভারেজ মোটে ৪০। এই দুজনে মিলে জুটি করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এগিয়ে যাচ্ছেন আর ইনিংস বড় করছেন। অনেকেই দেখছি, এদের জুটিতে আমাদের ফিল্ডারেরা ক্যাচ রান আউট মিস করায় দারুন হা-হুতাশ করছেন। আপনাদের জন্যে বলবো, আপনাদের ক্রিকেট বোঝা আর আবেগ বোঝা অনেক বাকি। কারণ আপনারা এই স্টেপটাই দেখছেন, পরেরটা দেখছেন না। এদের যে কেউ আউট হলে ক্রিজে আসতেন বিরাট কোহলি যার স্ট্রাইকরেইট ৫৫। এটা বর্তমানে ক্রিজে থাকা দুই ব্যাটসম্যানের চাইতে অনেক বেশি। তো শুধু শুধু আউট করে বেশি স্ট্রাইকরেট ওয়ালা বেশি আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যানকে আনার মত বোকামি শুধু অন্যান্য দলই করতে পারে। বাংলাদেশের মত চালাক দল নয়। অন্যদিকে, আরো একটা উইকেট পড়লে মাঠে নামতেন আজিংকা রাহানে। যার স্ট্রাইকরেট ৫৩ প্লাস। সুতরাং অনেক কায়দা কৌশল করে টপ অর্ডারের সবচেয়ে কম স্ট্রাইকরেটের দুইজনকে মাঠে আটকে রেখেছি। ৩৮৬ টা চার ক্যারিয়ারে মুরালি বিজয়ের আর পুজারার সেক্ষেত্রে ৪০০ এর কিছু বেশি। কিন্তু কোহলি? সবচেয়ে বেশি ৪৮৬ টা চার টেস্ট ক্যারিয়ারে। বোকার মত কে চায় বেশি চার মারা ব্যাটসম্যানের সামনে পড়তে? আপনি বোকা হতে পারেন, দক্ষিণ আফ্রিকা হতে পারে, কিন্তু আমরা না।

এই স্ট্র‍্যাটেজিক পয়েন্ট না বুঝতে পারলে এই দেশের ক্রিকেট না বোঝা জনগণের প্রতি এই চালাক ক্রিকেটারদের কিছুই বলার নেই।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

nineteen − 3 =