মেসি হওয়ার দায়…

বল আর সে, মানিকজোড়! রোজারিওর বহতা স্রোতস্বিনীর মতো তাদের গতিপথ , যার বাঁকে বাঁকে বৈচিত্র । ফুটবল ও লিওনেল মেসি !কিংবা তার পুর্বসূরী, দিয়াগো ম্যারাডোনা। আরেক জোড়া জাদুকরী বাঁ পা। তার সঙ্গে টাচলাইনের বাইরের পৃথিবীর এপিঠ-ওপিঠ দেখেছে ফুটবল। ফিদেল কাস্ত্রো-শাভেজ...ড্রাগ.....নারীসঙ্গ। কিন্তু টাচলাইনের ভেতরে, আর্জেন্টাইন 'ঈশ্বর'! মেক্সিকো বিশ্বকাপের আলো-আঁধার-দুইই ম্যারাডোনার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাক্ষাৎ জোচ্চুরিকে

জিদান এসেছিলেন বাংলাদেশে

মার্সেই শহরের ছোট্টো একটি জায়গার নাম 'টার্টেইন'।ইয়াজিদ এই ছোট্টো জায়গার সবচেয়ে ভালো ফুটবলার ছিলো না।তবে অন্যদের তুলনায় কিঞ্চিৎ বড়ো এবং পরিশ্রমী ছিল।তবে আরেকটি ব্যাপার যা অন্য সবার থেকে তাকে আলাদা করেছিলো সেটি হলো তার বাম-পা এবং হেড না দেয়ার প্রবণতা। পনেরো বছর বয়সে যখন ক্লাব কানসের হয়ে প্রথম প্র‍্যাকটিসে নামেন

ওল্ড ট্রাফোর্ডের ইতিহাসে দুই ব্রাজিলিয়ান সহোদর

গত দশকের শুরুর দিকে ফুটবল বিশ্বের আলোচিত দুই তরুণ ফুটবলার ছিলেন রাফায়েল দ্যা সিলভা এবং ফাবিও দ্যা সিলভা। যমজ দুই ভাই। দুইজনেই ফুলব্যাক। ১৯৯০ সালে ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরোর পেট্রোপলিস শহরে জন্ম নেওয়া ব্রাজিলিয়ান এই দুই ভাই ২০০৮ সালে ব্রাজিলীয় ক্লাব ফ্লুমিনেন্স থেকে যোগ দেন ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। মাত্র

অভিশাপের গপ্পো

জিতার জন্যে দরকার ১ রান,স্ট্রাইকে ফিনিশার ল্যান্স ক্লুজনার। ডেমিয়ান ফ্লেমিং এর বলে ব্যাট চালালেন ক্লুজনার এবং সাথেসাথেই পরম আকাঙ্ক্ষার ১ রানের উদ্দেশ্যে দৌড়, অপর প্রান্তে ডোনাল্ড তাকিয়ে থাকলেন বলের দিকে,এই চাহনি শেষ করে যখন দৌড় দেয়া শুরু করলেন ততক্ষণে বল গিলক্রিস্টের হাতে।ডোনাল্ড রান আউট,টাই হওয়া ম্যাচে আফ্রিকার আবারো বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল

ফাতি-মেসির গোলে স্বস্তির জয় বার্সার

চিরচেনা ন্যু ক্যাম্প। চিরচেনা মেসি, পিকে, টার স্টেগান রা। কিন্তু গ্যালারী টা যেন অচেনা। করোনা মহামারীর পর বার্সা - লেগানেস ম্যাচ দিয়ে ন্যু ক্যাম্পে ফুটবল ফিরলেও, ফেরা হয়নি দর্শকদের। লাখখানেক ধারণ ক্ষমতার গ্যালারীটা তাই ফাঁকা রেখেই মাঠে নামতে হয়েছিল মেসি,পিকে দের। ঘরের মাঠে দর্শক দের সমর্থন ছাড়া খেলতে নেমে শুরুতেই

শুভ জন্মদিন, স্টেফি গ্রাফ

১৯৯৬ সালের উইমেন্স উইম্বলডনের ম্যাচ চলছে। জাপানিজ সেনসেশন কিমিকো দাতের সাথে সর্বকালের অন্যতম সেরা স্টেফি গ্রাফের। কিমিকো দাতেকে সার্ভ করতে যাবেন এমন সময়ে গ্যালারি থেকে একজনের উদ্দাম চিৎকার, "স্টেফি,উইল ইউ ম্যারি মি"? গ্যালারি জুড়ে হাসির রোল। সার্ভ করতে গিয়েও করলেন না গ্রাফ। নিজেও একটু হেসে কয়েক সেকেন্ড পরে

‘নতুন স্বাভাবিক’ জীবন, সেই পুরোনো বার্সা

'নতুন স্বাভাবিক' লা লীগায় ৪ গোলের বড় জয় পেলো বার্সেলোনা। একটি করে গোল করেছেন লিওনেল মেসি, জর্ডি আলবা, কার্লোস ব্রাথওয়াইট ও আর্তুরো ভিদাল। করোনা মহামারী তে বিপর্যস্ত বিশ্ব, বিপর্যস্ত ইউরোপ। এই কিছুদিন আগেও স্পেন ছিল মৃত্যুপুরী। এখন প্রকোপ কিছুটা কমে এসেছে। ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে স্পেন। এর অংশ হিসেবে স্প্যানিশ লা

জাভেদ মিয়াঁদাদ : পাকিস্তানের খেয়ালি রাজপুত্র

চেতন শর্মাকে শেষ বলে মারা ঐতিহাসিক ছক্কা নাকি ডেনিস লিলিকে ব্যাট উঁচিয়ে মারতে যাওয়া নাকি কিরন মোরেকে ব্যঙ্গ করে লাফানো - 'বড়ে মিয়া'কে মনে রাখবেন কীভাবে? ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার এবং অধিনায়ক রে ইলিংওর্থের একটি অদ্ভুত অভ্যাস ছিলো। সে লাঞ্চের ঠিক আগের ওভারটি নিজে করতেন। পিচের কী অবস্থা, কেমন টার্ন পাচ্ছে/পাবে এগুলাই যার

হাভিয়ের মাশচেরানো – এক ও অনন্য

আচ্ছা সমর্থকদের সবচেয়ে বেশি আনন্দ হয় কখন? হ্যাঁ অবশ্যই সেইদিন নিজের দল কোনো শিরোপা জিতে। নর্থ-ওয়েস্ট ডার্বি কিংবা সুপারক্লাসিকো জয়ী দল ও তাদের সমর্থকদের আনন্দের সীমা তখন মাউন্ট এভারেস্টের থেকেও উঁচুতে।আর একটি ব্যাপারও সমর্থকদের দেয় সাংঘাতিক তৃপ্তি। সেটি হলো নিজের অভিমতের সমীচীন প্রকাশ এবং তারই মানানসই প্রতিক্রিয়া।আমাদের হিরোরা যোগ্য সম্মানের দাবিদার।

পাবলো এস্কোবার ও নার্কো ফুটবল – ২য় পর্ব

ফুটবলের মাঠ থেকে রাজনীতির মঞ্চ - এস্কোবারের প্রভাব মেদেলীনের সর্বত্র বিরাজমান। মেদেলীন কার্টেলের সোজা-সাপ্টা একটা নিয়ম ছিল,“ইউ ইদার পে পিপল অর কিল পিপল”। এই জায়গায় কিঞ্চিৎ ব্যতিক্রম ছিলো পাবলো এস্কোবার। সমানতালে করে গেছেন দুইটিই। রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী র্লুইস কার্লোস গালান ছিলেন ড্রাগলর্ড এবং তাদের কর্মকান্ডের ঘোর বিরোধী। বিশেষ করে এস্কোবারের রেজিমের কঠোর

পাবলো এস্কোবার ও নার্কো ফুটবল- ১ম পর্ব

১৯৮৯ সালের ফোর্বস ম্যাগাজিনের ধনকুবদের তালিকায় সপ্তম নাম্বারে ছিলেন অপ্রমেয় ক্ষমতার মালিক পাবলো এমিলিও এস্কোবার গারিবিয়া।তিনি যথেষ্ট কুখ্যাতিপূর্ণভাবে ২০ বছর ধরে পরিচালনা করেছিলেন “মেদেলীন” ড্রাগ কার্টেল।চোরাচালান,ঘুস,হত্যা নিজের কার্য সাধনে মানে কিং অফ কিংস হতে কোনো কিছুই বাদ রাখেননি এস্কোবার।মৃত্যুর এতবছর পরেও পাবলো এস্কোবার হয়ে আছেন ড্রাগ-বিশ্বের অন্যতম কুখ্যাত ক্ষৌণীশদের