আবারও রামোস

ফুটবল মাঠটা আসলেই বিস্ময় মঞ্চ । বিস্ময়ের গলা জড়িয়ে এই মঞ্চে একই সাথে বসবাস উত্তেজনা, হারানোর বেদনা আর প্রাপ্তির চরম আনন্দ । বার্নাব্যুতে আতিথ্য পাওয়া দেপোর্তিভো কি ভেবেছিল কে জানে । মিনিট দুয়েকের ব্যবধানে দুইবার স্বাগতিকদের জালে বল পাঠালো । অথচ মিনিট দেড়েক আগেও মোরাতার চমত্‍কার গোলে একধাপ পিছিয়ে ছিল তারা

অ্যান্দ্রে সিলভা – পর্তুগালের নতুন স্ট্রাইক ভরসা

পর্তুগালের স্ট্রাইকারভাগ্য সেরকম সুপ্রসন্ন ছিল - এ কথাটা পর্তুগালের পাঁড় ভক্তও কখনও বলবেন বলে মনে হয়না। নাহয় সেই শতাব্দীর শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হেলদের পোস্টিগা, নুনো গোমেজ, পেদ্রো পলেতা, হুগো আলমেইদার মত সেই ঘুরেফিরে দুটো-তিনটে নামই পর্তুগালের স্ট্রাইকার হিসেবে ঘুরত না এতটা সময় ধরে। অনেক সময়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় দেখা যায়

লারসনের আক্ষেপ

সুইডিশ ও সেল্টিক কিংবদন্তী হেনরিক লারসন যথেষ্ট ঈর্ষণীয় একটা ক্যারিয়ারই পেয়েছেন। লিগ জিতেছেন স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ড, স্পেইনে। বার্সার হয়ে ত জিতেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগই। এতকিছু জেতার পরেও, এতশত গোল করার পরেও লারসনের খেরোখাতায় এখনো জ্বলজ্বল করে একটি মাত্র আক্ষেপ। কি সেই আক্ষেপ? সেটা কি যেই ক্লাব তাঁকে কিংবদন্তীর মর্যাদা দিয়েছে সেই সেল্টিকের

মডরিচ হতে পারতেন বার্সার

এমনিতেই বার্সেলোনার ইতিহাসে কার্যকরী মিডফিল্ডারের কোন অভাব নেই, কখনো ছিল ও না। গত পনের বছরেই মিডফিল্ডার হিসেবে বার্সার মাঠ মাতিয়ে গেছেন বা যাচ্ছেন রোনালদিনিও, ডেকো, জাভি, অ্যান্দ্রেস ইনিয়েস্তা, সার্জিও বুসকেটস, সেইডু কেইটা, সেস ফ্যাব্রিগাস, থিয়াগো আলকানতারার মত খেলোয়াড়েরা। কিন্তু এমন যদি বলা হয় যে চিরশত্রু রিয়াল মাদ্রিদের বর্তমান মিডফিল্ড জেনারেল

শ্যাপেকোয়েন্সের সাথে খেলবে বার্সা

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিমান দুর্ঘটনায় বিপর্যস্ত ব্রাজিলিয়ান ক্লাব শ্যাপেকোয়েন্সের জন্য বিভিন্নভাবে সাহায্য-সহযোগিতা ও সম্মাননা আসছে। কনবেমল তাদেরকে সম্মানসূচক কোপা সুদামেরিকানার চ্যাম্পিয়নও ঘোষণা করেছে, শ্যাপেকোয়েন্সের জন্য অবসর ভেঙ্গে খেলতে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রোনালদিনিও ও হুয়ান রোমান রিকেলমের মত তারকারা। ব্রাজিলিয়ান বিভিন্ন ক্লাব কোন ফি ছাড়াই নিজেদের খেলোয়াড়দের শ্যাপেকোয়েন্সেতে ধারে

ভিয়া দা আনপ্রেডিক্টেবল লিজেন্ড

একজন সেনাপতি কিংবা একজন সেনাপ্রধান যতই দক্ষ আর বিচক্ষণ হোক নাহ কেন তিনি ততক্ষণ পর্যন্ত অসহায় যতক্ষণ তার সাথে থাকা সিপাহীরা অচল, আপনারা দাবা খেলায় দেখে থাকেন মন্ত্রী খেলার মাস্টারমাইন্ড হলেও মাঝেমধ্যে কিস্তি দিয়েও আপনি অপোনেন্টের ঘরে হামলা চালাতে পারেন আর তার প্রত্যেকটা পাওয়ার লন্ডবন্ড করে দিতে পারেন, তবে আপনি

গ্রুপপর্বে ডর্টমুন্ডের গোল উৎসব

গত রাতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ২-২ করে ড্র করে কোচ টমাস টুখেলের অধীনে এক অনন্য রেকর্ড অর্জন করেছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। ফরাসী স্ট্রাইকার করিম বেনজেমার জোড়া গোলে বার্নাব্যতে প্রথমেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু গ্যাবনিজ স্ট্রাইকার পিয়েরে এমেরিক আউবামেয়াং ও জার্মান উইঙ্গার মার্কো রোইসের গোলে ম্যাচে ফিরে

রেকর্ড ছুঁলেন জিদান

গত রাতে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ২-২ করে ড্র করে কোচ জিনেদিন জিদানের অধীনে এক অনন্য রেকর্ডের ভাগীদার হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এই ড্রয়ের মাধ্যমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৩৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকার নিজেদেরই ক্লাব রেকর্ডকে আবারও স্পর্শ করল তারা। ফরাসী স্ট্রাইকার করিম বেনজেমার জোড়া গোলে বার্নাব্যতে প্রথমেই ২-০ গোলে

সিলেকশন জোকস

শুনলাম কামরুল রাব্বীকে নাকি ডাকলো শফিউলের চোটে। গুরুত্ব না দিলে বিপিএল আয়োজনের কী দরকার?? আবু জায়েদ রাহীকে এই স্লো উইকেটে বল সমানে বের করতে দেখলাম স্ট্যাম্প থেকে। লাইন লেংথের সাথে সামান্য ন্যাচারাল আউটসুইং। এদের রিপ্লেসমেন্ট ডাকার প্রসেস থ্রিলার ফিল্মের চেয়ে রোমাঞ্চকর। খুলনা-রাজশাহী দুটো টীমকেই কেন জানি না ভালো লাগত। তবে ঢাকার

ইতালির নতুন ভরসা – অ্যান্দ্রেয়া বেলোত্তি

সাধারণত কালজয়ী ডিফেন্ডারদের জন্য ইতালি বিখ্যাত হলেও, বছরের পর বছর তারা আক্রমণভাগেরও এমনকিছু খেলোয়াড় উপহার দিয়েছে ফুটবল বিশ্বকে, যারা রচনা করেছেন নতুন নতুন ইতিহাস। ফ্র্যানচেস্কো টট্টি, ভ্যালেন্তিনো মাজোলা, স্যান্দ্রো মাজোলা,  রবার্তো বাজ্জিও, অ্যালেসসান্দ্রো দেল পিয়েরো, হোসে আলফাতিনি, জিউসেপ্পে মিয়াজ্জা, ফিলিপ্পো ইনজাঘি, ক্রিস্টিয়ান ভিয়েরি, সিলভিও পিওলা, জিয়ানফ্রাঙ্কো জোলা, লুইজি রিভা... নাম

রিয়াদের বীরত্ব

আমার মতে বিপিএলের প্রাপ্তি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। তার দলটা একদমই তার উপর নির্ভরশীল। এই দলকে নিয়ে শুরুতে কেউই বাজি ধরেনি। কিন্তু টিম স্পিরিটের জোর তারা দেখিয়েছে! আজ হেরে গেলেও ফাইনালে যাবার আরেকটা সুযোগ আছে। দলে যদি কেভিন ও ব্রায়েন বা পল স্তারলিং এর মতো একজন পাওয়ার হিটার থাকতো, তবে এই দলকে

বার্সার উঠোন রক্ষা নাকি মাদ্রিদের টানা ন্যু ক্যাম্প বিজয় ?

উত্থান-পতন, পঁচা শামুকে পা কাটা, টানা উড়তে থাকা কিংবা ধারাবাহিক ছঁন্দপতন । এল ক্ল্যাসিকো এলেই সকল আবহাওয়া আর সমীকরণ ভস্মিভূত উত্তেজনার আগ্নেয়গিরীতে । যে আগ্নেয়গিরীর গলনান্ক লাভায় খোদিত ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা কিংবা সার্জিও রামোসের মত নামগুলো । এল ক্ল্যাসিকো ! আপাত বাহ্যিক দৃষ্টিতে এটি স্রেফ একটি ফুটবল ম্যাচ । তবে যোগ্যতা-যশের