ফিরছেন ডেভিড লুইজ

নাপোলির ফরাসী ডিফেন্ডার কালিদু কোলিবালি থেকে তোরিনোর সার্বিয়ান ডিফেন্ডার নিকোলা মাকসিমোভিচ। তারপর দৃশ্যপটে আগমন এসি মিলানের তরুণ ইতালিয়ান সেন্টারব্যাক অ্যালেসসিও রোমানিওলির। চেলসির একজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারের খোঁজ বহুদিন ধরেই। শেষ পর্যন্ত কাউকে না পেয়ে সেই নিজেদের সাবেক একজনের কাছেই ফিরে গেল তাঁরা। দুই বছর আগে যেই ডেভিড লুইজকে রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন

কাদের দেখানো পথ অনুসরণ করলেন জ্যো হার্ট?

ক্যারিয়ারের খুব একটা ভালো সময় পার করছেন না বর্তমান ইংল্যান্ড নাম্বার ওয়ান ও ম্যানচেস্টার সিটির গোলরক্ষক জ্যো হার্ট। পেপ গার্দিওলা আসার সাথে সাথেই মোটামুটি ক্যারিয়ারে শনির দশা শুরু হয়ে গেছে তাঁর। গার্দিওলার পছন্দমাফিক বল প্লেয়িং গোলকিপার না হবার ফলে এর মধ্যেই হার্টকে বেঞ্চে বসিয়ে দিয়েছেন তিনি, তাঁর জায়গায় প্রিমিয়ার লিগে

একের পর এক লজ্জা পাকিদের

ভেবেছিলাম ৪৪৩ রানের রেকর্ডটকে শ্রীলঙ্কা জাদুটোনা করে রেখেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা তো প্রায় ছাড়িয়ে যাচ্ছিল। ৪৯তম ওভারেও ডি ভিলিয়ার্স নিলেন ৩০ রান। রেকর্ড গড়তে শেষ ওভারে দরকার মাত্র ৮। আমলা-ডি ভিলিয়ার্স থাকার পরও আন্দ্রে রাসেলের ওভারে এলো মাত্র ৩ রান! পরে আবার দক্ষিণ আফ্রিকাই। এবার রেকর্ডের জন্য শেষ ৩ বলে দরকার ছিল

রেকর্ডের পর রেকর্ড

ওডিআই তে দলগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভেংগে দিল ইংল্যান্ড। ২০০৬ সালে শ্রীলংকার করা ৪৪৩/৯ রানের রেকর্ড এখন দ্বিতীয় ( ইংল্যান্ড এর স্কোর ৪৪৪/৩)। ইংল্যান্ড এর এই বিশাল রান সংগ্রহ এর পিছনে রয়েছে একটি প্রায় দুই শত রান, একটি শত রান এবং একটি প্রায় শত রান এর অবদান। প্রায় শত রান টি

ভয় মেশানো শুভকামনা তিতের জন্যে

বেশিরভাগ কোচ এখনকার দিনে তাদের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ভালো সময়টায় কোন জাতীয় দলের দ্বায়িত্বটা নেয় না। অনেকদিন পরে পরের বড়সড় টুর্নি ছাড়া এই চাকরিটা আসলে পার্টটাইম জবের মত। যতোটা না কোচ, তার চেয়ে বেশি মেন্টর। আর কাজটা অনেক বড় অংশে এনালিস্ট এর। এক মাস দুই মাস ৮/৯ টা

এরিক ইজ “বেই”, লাভ ইজ “ব্লাইন্ড”

::::: জুহায়ের সাদমান খান ::::: এরিক বাইয়ি। হোসে মোরিনহোর প্রথম সাইনিং হিসাবে যখন সে যোগ দিল, আমি সহ অনেকেরই মনে এই এক প্রশ্ন ছিল। তার উপর দাম £৩০ মিলিয়ন। এরপর ইউটিউব ঘেটেঘুটে যা দেখলাম মোটামুটি ভাল ডিফেন্ডার, লা লিগায় ভিয়ারিয়ালের হয়ে মেসি-রোনালদোকে মানবিক পর্যায়ে যতটুকু আটকানো সম্ভব ততটুকু আটকিয়েছে। কিন্তু লোকমুখে

সৌম্য ফর্মে নেই কিভাবে?

নিজের সবশেষ দুই ওয়ানডেতে সৌম্য সরকারের রান ৮৮* ও ৯০। দক্ষিণ আফ্রিকা বোলারদের ছাতু বানিয়ে আমাদের সিরিজ জিতিয়েছিলেন। চট্টগ্রামে শেষ ম্যাচটায় মর্নে মর্কেলের বলে সৌম্যর সেই ছক্কাটি আমার মতে বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন দিন আর নতুন প্রজন্মের মানসিকতার একটি প্রতীক। অফ স্টাম্পের বাইরে লেংথ বল দারুণ অথোরিটি আর প্রচণ্ড ডিসডেইনে সৌম্য

অব্যাহত থাকলো জয়যাত্রা

এবার সিঙ্গাপুর! গত ম্যাচে ইরানকে তাদের অর্ধে আটকে রেখে পুরো ৯০ মিনিট এক তালে প্রেসিং করে স্বপ্নের ফুটবল খেলেছিল বাংলাদেশ, হতবাক ইরানিরা চেয়ে চেয়ে দেখেছিল ভয়ডরহীন এক নতুন বাংলাদেশকে। এবার সিঙ্গাপুরকেও একই স্টাইলে ঠাণ্ডা মাথায় পুরো ৯০ মিনিট এক তালে প্রেসিং করে গুড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ! ফলাফল ৫-০, তা মাঠের খেলার

পাকো অ্যালস্যাসের : বার্সার নতুন “ব্যাকআপ স্ট্রাইকার”

মেসি-সুয়ারেজ-নেইমার। মোটামুটি তর্কাতীতভাবেই বর্তমান ফুটবল বিশ্বের সেরা ফরোয়ার্ড লাইনআপ এখন এইটা। গত কয়েক বছরে এই ত্রয়ী বার্সেলোনাকে উপহার দিয়েছেন গোলের পর গোল, শিরোপাও এসেছে অনেক এই তিনজনের কল্যাণে। তাও, যত সেরাই হোক না কেন, কোন কারণে এই তিনজনের একজন যদি ইনজুরিতে পড়ে যান, সেক্ষেত্রে বার্সার বেঞ্চে কি আদৌ সেই অভাব

দিলশান একজনই

১৯৯৯ তে ওয়ানডে ডেব্যুর পরে দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি আসে ২০০৯ সালে আর প্রথমটা ২০০৬ সালে। তার মানে গত ৭ বছরে দিলশান করে ফেলেছেন ২০টার মত সেঞ্চুরি। অবশ্য টেস্টের সাফল্যগুলো নিয়মিত আসছিলো অভিষেকের পর থেকেই। ওয়ানডে সেঞ্চুরিটার প্যাটার্নটা নিয়ে কথা বলার একটাই কারণ। স্রেফ জানিয়ে দেওয়া ওপেনার হিসেবে প্রমোশন পাওয়া দিলশান

টানা ২ ম্যাচ জয়রথ

লুকা মদ্রিচের স্বাধীনতা তখন ক্রসবারে বাধাপ্রাপ্ত । লীড এনে দেওয়া আলভারো মোরাতার সফল ফ্ল্যাট চিপ আবার সেই ক্রসবারেই চুমু খেয়ে বেরিয়ে গেল । তবে শেষতক আর বিদ্রোহ করেনি বার্নাব্যুর গোলবার । টনি ক্রুসের দুরপাল্লার মাপা শট বারে চুঁমু আকলেও তা জাল আলিঙ্গন করে পরমুহুর্তে । জিদানের টানা ১৪ লা লীগা ও চলতি লীগে

সারা বিশ্বের বিস্ময়, তোমরা আমাদের অহংকার!

কি বলবেন এটাকে? অবিশ্বাস্য? বিস্ময়কর? আসলে এটাকে ব্যাখ্যা করার মতো শব্দ আমি খুঁজে পাচ্ছিনা, সেজন্য ক্ষমাপ্রার্থী, কিন্তু আজ আমাদের লাল সবুজের মেয়েরা ইরানকে যেভাবে বলে কয়ে হারাল আর ইরান যেভাবে এই বাঘিনিদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করলো, তাতে আমাদের দেশের ফুটবলের সেই স্বর্ণযুগের কথাই বারবার মনে হয়ে যাচ্ছিলো, সেই সালাউদ্দিন আসলাম