সময়টা টেস্ট রোমাঞ্চের

একদিকে চল্লিশে চালসে ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে বিস্মিত করেই চলেছেন পাকি অধিনায়ক মিসবাহ, আছে ইয়াসির শাহ এর ঘূর্ণিতে নাকাল ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের সামনে স্যালুট আর বুক ডন দিয়ে পাকিস্তানি উদযাপন, ইংলিশেরম অহমে ঘা দেওয়ার মতোই এবং ক্যাপ্টেন কুক তা বলতেও ভোলেননি, বলেছিলেন ফিরবে তার দল- রাজসিকভাবে। ফিরেছেও! পরের টেস্টে ইংলিশ কন্ডিশনের

ওয়েঙ্গারের যত হাত ফসকানো সুপারস্টারেরা!

ইংলিশ ফুটবলে আর্সেন ওয়েঙ্গারের অবদান, মূলত আর্সেনাল ইতিহাসে ওয়েঙ্গারের অবদান সম্বন্ধে বোধকরি নতুন করে বলার কিছু নেই। ১৯৯৬ সালে ইংল্যান্ডে এসে আর্সেনালের খোলনলচে পালটে দেওয়া এই ফরাসী কোচ এই পর্যন্ত তাঁর আসার পর থেকে আর্সেনালকে জিতিয়েছেন তিনটি লিগ, এফএ কাপ আর কমিউনিটি শিল্ড জিতেছেন ছয়বার করে, ক্লাবকে একবার নিয়ে গিয়েছিলেন

যে লড়াইয়ে জেতা কাটার দেওয়ার চাইতেও কঠিন

ক্রিকেটার বা ফুটবলার না স্প্রিন্টার - এথলেট হিসেবে একেক খেলার খেলোয়াড়দের চ্যালেঞ্জ একেক রকম। তাদের টু ডু লিস্টে আলাদা আলাদা কাজ থাকে। তবে একটা জায়গা মনে হয় সবাইকে এক জায়গায় মিলিয়ে দেয়। সে জায়গাটা হলো চোটে বা ফর্মহীনতায় পড়ে গেলে বাইরের সারা দুনিয়ার সাথে তাদের ইন্টারএকশনের ব্যাপারটা।

আর্সেনাল লিজেন্ড : নোয়ানকো কানু

::::: আহসানুল হক ::::: নাইজেরিয়ার ওয়েরি শহরে পথে ঘাটে ফুটবল খেলে পেশাদার ফুটবলার হবার স্বপ্ন দেখা এক কিশোরের অসাধারন স্বপ্নযাত্রার গল্প এটি। কানু নামের এক অস্বাভাবিক ঢ্যাঙ্গা পায়ের অধিকারী বালক, ক্যারিয়ার শুরু হয় নাইজেরিয় ক্লাব ফেডারেশন ওয়ার্ক্স এ। ১৯৯৩ এর অ-১৭ বিশ্বকাপে তার দুর্দান্ত পার্ফর্মেন্স অনেক বড় বড় ক্লাবের নজর কাড়তে সক্ষম

আরেকটি রত্ন পেয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা!

ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিকে ৩৬৫ পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন স্যার গ্যারি সোবার্স। সম্ভবত ক্রিকেটের সবচেয়ে বিখ্যাত ‘প্রথম সেঞ্চুরি’। ২১ বছর বয়সে খেলা সেই ইনিংস টেস্টের সর্বোচ্চ ইনিংস হয়ে টিকে ছিল ৩৬ বছর। আজ স্যার গ্যারির জন্মদিনেই একজন প্রথম সেঞ্চুরিতে করলেন ১৬৯। এবং অপরাজিত। কালকে আরও বড় করতে পারেন ইনিংস। সেই ২১

দায় আমাদেরই

বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য সত্যিকার আবেগ, ভালোবাসা আছে তামিম ইকবালের। মুশফিকুর রহিমের আছে। মাহমুদউল্লাহর আছে। আরেকজনের ভালোবাসা আছে, কিন্তু নিজের শরীরটা বিদ্রোহ করেছে বারবার। পারলে সব ছেড়েছুড়ে টেস্টই খেলতেন। নিজের শরীর তাকে সেই ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করছে। যাই হোক, তামিমের সঙ্গে ক্রিকেট নিয়ে কথা বলা সবসময়ই আনন্দময় অভিজ্ঞতা। সেটা

অশ্বিন-নামা!

স্যার গ্যারি সোবার্স...ইয়ান বোথাম...জ্যাক ক্যালিস...মুশতাক মোহাম্মদ...সাকিব আল হাসান... এবং...এবং...এবং....তাহাদের পাশে... লেডিস অ্যান্ড জেন্টেলম্যান...সোবার্সদের পাশেই রবিচন্দ্রন অশ্বিন....! একই টেস্টে সেঞ্চুরি ও ইনিংসে ৫ উইকেট একাধিকবার নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন কেবল এই ৬ জন... বোথাম একাই গড়েছেন পাঁচ-পাঁচবার..বাকি সবাই দুবার করেই... প্রথমবার অশ্বিন ব্যাটে-বলে জোড়া এই পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন ২০১১ সালে মুম্বাইয়ে। এবার, আজ অ্যান্টিগায়... দুবারই প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট

বার্সেলোনায় আন্দ্রে গোমেজের চান্স কিরকম?

::: কাজী মাহবুব মুতাকাব্বির ::: আন্দ্রে গোমেজের খেলার যেই স্টাইল দেখলাম, ইনিয়েস্তার জায়গায় খেলার ভালো চান্স আছে। ডিবক্সের আশপাশে ওয়ান-টূ কইরা বক্সের ভিত্রে খিচ্চা দৌড় দেয়, যেইটা বার্সার ট্রেডমার্ক অ্যাটাকিং প্যাটার্নের একটা। সুতরাং চান্স পাবে, তবে স্টার্টিং ইলেভেনে এই সিজনে আসার চান্স নাই বললেই চলে (ইনিয়েস্তা ইঞ্জুরড না হইলে আর তুরান

শিখে এসো, ওয়ান্ডার বয়!

৩টি টি-টোয়েন্টি আর ৪টি একদিনের ম্যাচ। সপ্তাহ দুয়েকের থাকা। বোলিং নিয়ে শেখার সুযোগ সামান্যই। তবে মুস্তাফিজ শিখবে আরও অনেক কিছু। পরিচয় হবে সত্যিকারের পেশাদারীত্বের সঙ্গে। আরও ভালো করে শিখবে ডিসিপ্লিন, হবে আত্মনির্ভরশীল। দু সপ্তাহ পর মুস্তাফিজ যখন ফিরবে, তখন আরেকটু পরিণত হবে। আরেকটু বেশি জানবে নিজেকে। ইমরান খানের কথা এই প্রসঙ্গে

লর্ডসের লর্ড: ইয়াসির নামা

  * ১৩ টেস্টের ক্যারিয়ারে প্রথমবার ম্যাচে ১০ উইকেট * পাকিস্তানের কোনো বোলারের লর্ডসে ১০ উইকেট এই প্রথম। আগের সেরা ছিল ওয়াকার ইউনিসের ৮ উইকেট * এশিয়ার কোনো বোলারের লর্ডসে ১০ উইকেট এটিই প্রথম। ওয়াকার ছাড়া ৮ উইকেট ছিল আর কেবল কপিল দেবের * লর্ডসের ১৩২ বছর আর ১৩২ টেস্টের ইতিহাসে ১০ উকেট পাওয়া

স্ট্যান ম্যাককেব: শ্রদ্ধাঞ্জলি

  তাঁর একেকটি শটে দর্শকের চোখ যেত জুড়িয়ে, বোলাররা যেত গুড়িয়ে। কিন্তু তাঁর চোখে তখন থাকত মায়া। বেদম মার খেয়েও বোলাররা যন্ত্রণা ভুলে যেত ব্যাটসম্যানের চোখের দিকে তাকিয়ে। সেখানে বোলারদের জন্য সহানুভূতি! স্ট্যান ম্যাককেব। বলা হতো, তাঁর হৃদয়ে ছিল না ঘৃণা, তাঁর ক্রিকেটেও ছিল না ঘৃণা! বডিলাইন সিরিজে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের সম্পর্ক যখন

বার্সেলোনা ট্রান্সফার রিভিউ সো ফার

ইনঃ ডেনিস সুয়ারেজ, স্যামুয়েল উমতিতি, লুকাস দিগনে, লুসিয়ানো ভিয়েত্তো (সম্ভাব্য) আউটঃ মার্ক বার্ত্রা, দানি আলভেজ, সান্দ্রো, ভারমালেন (সম্ভাব্য), আদ্রিয়ানো (সম্ভাব্য), ব্রাভো (সম্ভাব্য) এখনো পর্যন্ত বার্সা যেসব প্লেয়ার সাইন করাল তাদের প্রত্যেকের পটেনশিয়াল হাই ও তারা সবাই কম বয়সী যেটা বার্সার প্লাস পয়েন্ট। আবার কিছু প্লেয়ারদের চলে যাওয়াও অনেকটা নিশ্চিত। দেখা যাক